কানাডার টরন্টোতে বন্দুকধারীর গুলিতে এক নারী নিহত ও অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে এক শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
 

কানাডার টরন্টোতে বন্দুকধারীর গুলিতে এক নারী নিহত ও অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে এক শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক।


রোববার স্থানীয় সময় রাত ১০টার দিকে টরন্টোর গ্রিকটাউন শহরে এ ঘটনা ঘটে। খবর: রয়টার্স, বিবিসি ও এনডিটিভি।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রিকটাউনের একটি রেস্টুরেন্টের বাইরে জন্মদিনের পার্টিতে হামলার পর বন্দুকধারী নিজেও আত্মহত্যা করেন।

হামলার কোনো কারণ জানাতে পারেনি পুলিশ। তবে তারা এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছে তথ্য আহ্বান করেছে।

টরন্টোর পুলিশ টুইট বার্তায় জানিয়েছে, এক বন্দুকধারীর গুলিতে ১৪ জন আহত হন। এদের মধ্যে এক নারী মারা গেছেন। এক মেয়েশিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক। হামলাকারীও নিহত হয়েছেন।

টরন্টোর পুলিশ প্রধান মার্ক সন্ডার্স সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, রোববার রাতে টরন্টোর গ্রিকটাউন এলাকায় ড্যানফোর্থ ও লোগান এভিনিউয়ে বন্দুকধারী হামলা করে।

তিনি জানান, আহতদের মধ্যে আট-নয় বছরের একটি মেয়ের অবস্থা গুরুতর। বাকিদেরও হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, গোলাগুলির ঘটনার সময় তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ড্যানফোর্থের একটি রেস্তোরাঁয় ছিলেন। হঠাৎ করেই তারা ১০ থেকে ১৫টি বিকট শব্দ পান।
প্রথমে তাদের মনে হয়েছিল, বাজি ফোটানো হচ্ছে। দৌড়ে রেস্তোরাঁর পেছনে চলে যাওয়ার সময় লোকজনের চিৎকার শুনতে পান তিনি।

গোলাগুলির ঘটনায় টরন্টোর মেয়র জন টোরি এক সংবাদ সম্মেলনে আগ্নেয়াস্ত্র সহজলভ্য হওয়াই এ সমস্যার মূল কারণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সাম্প্রতিক সময়ে টরন্টোতে অস্ত্রবাজি বেড়ে যাওয়ায় গত সপ্তাহে পুলিশের পক্ষ থেকে বেশকিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়। যেসব এলাকায় এসব ঘটনা বেশি ঘটছে, সেখানে সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত তিনটা পর্যন্ত পালা করে টহল দেয়ার জন্য ২০০ পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব দেয়া হয়।

Post A Comment: