ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ব্যঙ্গচিত্র (কার্টুন) আঁকায় জার্মানির শীর্ষস্থানীয় একটি পত্রিকার কার্টুনিস্টকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অ্যান্টি-সেমিটিক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করা হয়েছে বলে দিয়েতের হানিটচ নামক ওই কার্টুনিস্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। অথচ এই কার্টুনিস্টই তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোয়ানের ব্যঙ্গচিত্র এঁকেছিলেন। কিন্তু তখন তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনা হয়নি।
 

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ব্যঙ্গচিত্র (কার্টুন) আঁকায় জার্মানির শীর্ষস্থানীয় একটি পত্রিকার কার্টুনিস্টকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অ্যান্টি-সেমিটিক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করা হয়েছে বলে দিয়েতের হানিটচ নামক ওই কার্টুনিস্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। অথচ এই কার্টুনিস্টই তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোয়ানের ব্যঙ্গচিত্র এঁকেছিলেন। কিন্তু তখন তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনা হয়নি।


ব্যঙ্গচিত্রে দেখানো হয়েছে, নেতানিয়াহু হাতে একটি ক্ষেপণাস্ত্র বহন করছেন। আর তার পরনে রয়েছে ইসরাইলি গায়ক নেত্তা বারজিলাইয়ের পোশাক, যিনি এবার ইউরোভিশন প্রতিযোগিতা জিতেছেন। পাশাপাশি লেখা রয়েছে- এটি (প্রতিযোগিতা) আগামী বছর জেরুজালেমে হবে।

ব্যঙ্গচিত্রটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও জার্মানির অন্যান্য মিডিয়া আউটলেটে ভাইরাল হয় বলে জানিয়েছে তুর্কি গণমাধ্যম আনাদলু।

সুদ্দুটচি জেইতুং নামক ওই পত্রিকার প্রধান সম্পাদক উল্ফগাং ক্র্যাচ এ ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। কিন্তু ওই কার্টুনিস্ট তা করেননি।

বরং স্থানীয় গণমাধ্যমকে ৮৫ বছর বয়সী ওই কার্টুনিস্ট বলেছেন, ইউরোভিশন প্রতিযোগিতা দিয়ে তিনি নেতানিয়াহুর শোসনের বিষয়টির সমালোচনা করতে চেয়েছেন। ইউরোভিশন প্রতিযোগিতার বিজয়কে তিনি (নেতানিয়াহু) নিজের স্বার্থে ব্যবহার করেছেন এবং গায়কের বিজয়কে তিনি অসম্মান করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ওই কার্টুনিস্ট।

তিনি বলেন, কোনো কিছু আঁকার জন্য কোনো কার্টুনিস্টকে বরখাস্ত করা সাধারণ কোনো নিয়মের মধ্যে পড়ে না। আপনি তাকে বকতে কিংবা সতর্ক করতে পারেন। কিন্তু বরখাস্ত করা কোনো ভালো লক্ষণ নয়।

উল্লেখ্য, এর আগে হানিটচ তুর্কি প্রেসিডেন্টের সমালোচনা করে এমনকি অপমানকর ব্যঙ্গচিত আঁকেন। বাক-স্বাধীনতার বিষয় নিয়ে এরদোয়ানের সমালোচনা করে আঁকা ওই কার্টুনটি এই পত্রিকাতেই ছাপা হয়েছিল। কিন্তু তখন তাকে কিছুই বলা হয়নি।

Post A Comment: