২০১৭ সালের দূর্গা পূজায় মুক্তি পেয়েছিল স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় অভিনীত ওয়েব সিরিজ ‘দুপুর ঠাকুরপো’। ছবিতে স্বস্তিকার চরিত্রটির নাম ছিল ‘উমা বৌদি’। এই চরিত্রটি দিয়ে রীতিমত হইচই ফেলে দিয়েছিল টালিগঞ্জে। ‘দুপুর ঠাকুরপো’ দেখার পর সবাই নাকি স্বস্তিকাকে উমা বৌদি বলে ডাকা শুরু করেছিলেন। ডাকবেনই বা না কেন? হাজারো ঠাকুরপোদের রাতের ঘুম যে হারাম করে দিয়েছিলেন এই উমা বৌদি।
 

২০১৭ সালের দূর্গা পূজায় মুক্তি পেয়েছিল স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় অভিনীত ওয়েব সিরিজ ‘দুপুর ঠাকুরপো’। ছবিতে স্বস্তিকার চরিত্রটির নাম ছিল ‘উমা বৌদি’। এই চরিত্রটি দিয়ে রীতিমত হইচই ফেলে দিয়েছিল টালিগঞ্জে। ‘দুপুর ঠাকুরপো’ দেখার পর সবাই নাকি স্বস্তিকাকে উমা বৌদি বলে ডাকা শুরু করেছিলেন। ডাকবেনই বা না কেন? হাজারো ঠাকুরপোদের রাতের ঘুম যে হারাম করে দিয়েছিলেন এই উমা বৌদি।


 ‘দুপুর ঠাকুরপো’ ওয়েব সিরিজটির ব্যাপক সাফল্যের পর সকলেই ভেবেছিল সিজন টু-তেও হয়তো স্বস্তিকাকেই দেখা যাবে উমা বৌদি রূপে। কিন্তু সকলের ভাবনায়ই বৃথা গেছে। থাকছেন না স্বস্তিকা। উমা বৌদির জায়গায় এসেছেন ঝুমা বৌদি। কলকাতার আরেক হট সেনসেশন শ্রীলেখা মিত্র।

সম্প্রতি একটি ভারতীয় পত্রিকাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এই বিষয় নিয়েই প্রশ্ন করা হয় প্রথম সিজনের নায়িকা স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে। তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, ‘দুপুর ঠাকুরপো’র মাধ্যমেই বিপুল সাফল্য পেলেন। কিন্তু সেটারই দ্বিতীয় সিজনে রিপ্লেসড হয়ে গেলেন। খারাপ লাগছে না? এমন প্রশ্নের সোজাসাপটা উত্তর দিয়েছেন অভিনেত্রী।

স্বস্তিকা বলেন, ‘বোল্ড দৃশ্যে কলকাতায় আমার রিপ্লেসমেন্ট কেউ নেই। কাজেই রিপ্লেসমেন্ট শব্দটাই ভুল। কাজটা আমি ছেড়ে দিয়েছি বলেই অন্য কেউ সুযোগ পেয়েছে। এই ওয়েব সিরিজের প্রযোজক ছিল ‘টিভিওয়ালা মিডিয়া’। আমি ওদের সঙ্গে আর কাজ করতে চাই না। ওদের সঙ্গে কাজ করতে গেলে অন্য লোক নিতেই হবে।’


তিনি আরও বলেন, ‘দ্বিতীয় সিজনে শ্রীলেখাকে নেয়া হয়েছে ভালো। ও নিজের মতো করে অভিনয় করবে। তবে সে কখনোই আমার রিপ্লেসমেন্ট হবে না। আমি কি নতুন নাকি, যে কাস্ট করে বাদ দেয়া হবে? আমি চাইনি বলেই কাজটা করছি না। এর সঙ্গে অন্য কোনো কিছুরই সম্পর্ক নেই।’

২০০৩ সালে উর্মী চক্রবর্তী পরিচালিত ‘হেমন্তের পাখি’ ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন স্বস্তিকা। ছবিটিতে তিনি পাশ্ব-চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। তিনি প্রথম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পান রবি কিনাগী পরিচালিত ‘মাস্তান’ ছবিতে। এরপর শুধু এগিয়ে চলেছেন।

তবে সে সময়ের স্বস্তিকা আর এখনকার স্বস্তিকার মধ্যে যোজন যোজন পার্থক্য। প্রথম দিকে তিনি হাজির হতেন মমতাময়ী প্রেমিকা রূপে, কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে খোলামেলা চরিত্রেই তাকে বেশি দেখা যায়। আর এই চরিত্রে তিনি ইতিমধ্যেই ছাড়িয়ে গেছেন অন্য সবাইকেই। কাজেই নিজেকে তিনি অদ্বিতীয়া বলতেই পারেন।

Post A Comment: