পহেলা বৈশাখ মানে একটু গরম তো পড়বেই। আর এই গরমে স্বস্তি পেতে ঠান্ডা জাতীয় খাবারের জুড়ি নেই। আর আইসক্রিম বা কুলফি হলে তো কোনো কথাই নেই। কুলফি এমন একটি খাবার যা যেকোনো সময় খেতে ইচ্ছা করে। আর বৈশাখী গরম তাড়াতে মজাদার পেস্তা কুলফির কোনো জুড়ি নেই। তাই এই কুলফি ঘরে তৈরি করা গেলে দারুণ হয়, তাই না? চলুন জেনে নেই কি করে দোকানের মতো পারফেক্ট কুলফি খুব সহজেই ঘরে তৈরি করা যায়।
বৈশাখী গরমে মজাদার ‘পেস্তা কুলফি’ 

পহেলা বৈশাখ মানে একটু গরম তো পড়বেই। আর এই গরমে স্বস্তি পেতে ঠান্ডা জাতীয় খাবারের জুড়ি নেই। আর আইসক্রিম বা কুলফি হলে তো কোনো কথাই নেই। কুলফি এমন একটি খাবার যা যেকোনো সময় খেতে ইচ্ছা করে। আর বৈশাখী গরম তাড়াতে মজাদার পেস্তা কুলফির কোনো জুড়ি নেই। তাই এই কুলফি ঘরে তৈরি করা গেলে দারুণ হয়, তাই না? চলুন জেনে নেই কি করে দোকানের মতো পারফেক্ট কুলফি খুব সহজেই ঘরে তৈরি করা যায়।


উপকরণ :


ঘন দুধ ৩ কাপ

পাউডার দুধ আধা কাপ

কনডেন্সড মিল্ক আধা কাপ

হেভি ক্রিম ১ কাপের ৩ ভাগের ১ ভাগ

চিনির শিরা ১ কাপের ৩ ভাগের ১ ভাগ

পেস্তা বাদাম ১ কাপ

কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ

গোলাপজল আধা চা-চামচ

জাফরান সামান্য (দুধে ভেজানো)

গোলাপ পাপড়ি কুচি সামান্য (ইচ্ছা)

প্রণালী:


পেস্তাবাদাম গরম পানিতে ভিজিয়ে নরম হলে ছিলে কুচি করে রাখুন। পানিতে কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে রাখুন। হাঁড়িতে দুধের সঙ্গে শিরা, পাউডার দুধ ও কনডেন্সড মিল্ক মিশিয়ে জ্বাল দিন। বলক এলে কর্নফ্লাওয়ার ছাড়া বাকি সব উপাদান মিশিয়ে আরও ২ মিনিট জ্বাল দিন। এবার কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে ১ মিনিট পর নামিয়ে নিন। হ্যান্ড বিটারের সাহায্যে মিশ্রণটি ভালোমতো বিট করে নিন। এবার ছাঁচে ঢেলে সারা রাত ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন।

কুলফিতে কাঠি দিতে চাইলে ডিপ ফ্রিজে রাখার ৪ ঘণ্টা পর কুলফি কিছুটা জমে এলে তখন কাঠি দিতে হবে। একটা গ্লাসে কুসুম গরম পানি নিয়ে তাতে কুলফির ছাঁচ রেখে আলতো করে টান দিলেই কাঠিসহ কুলফি বেরিয়ে আসবে।

Post A Comment: