অবশেষে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পেয়েছেন ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত লুসি ফ্রান্সিস হল্ট। আজ শনিবার বিকালে গণভবনে তার হাতে নাগরিকত্বের সনদ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
 

অবশেষে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পেয়েছেন ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত লুসি ফ্রান্সিস হল্ট। আজ শনিবার বিকালে গণভবনে তার হাতে নাগরিকত্বের সনদ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা ও প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল। মুখ্য সচিব নজিবুর রহমানও সেখানে ছিলেন।

১৯৬০ সালে বরিশালের অক্সফোর্ড মিশনে যোগ দেন লুসি। এরপর আর দেশে ফিরে যাননি্। বাংলাদেশকে ভালোবেসে এ দেশের মানুষের সেবায় কাটিয়ে দিয়েছেন গত ৫৭ বছর।

৮৭ বছর বয়সী লুসির একটাই চাওয়া বাকি জীবনটা তিনি এ দেশেই কাটিয়ে দিতে চান। মৃত্যুর পর এ দেশেই চিরনিদ্রা নিতে চান তিনি। আর এ জন্য তিনি চেয়েছিলেন বাংলাদেশের নাগরিকত্ব।

১৯৩০ সালের ১৬ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যের সেন্ট হ্যালেন্সে জন্ম নেয়া লুসি হল্ট বরিশাল, যশোর, খুলনা, নওগাঁ, কুড়িগ্রাম, গোপালগঞ্জ ও ঢাকায় কাজ করেন। ২০০৪ সালে অবসর নেয়ার পর থেকে তিনি বরিশাল অক্সফোর্ড মিশনের শিশুদের মানসিক বিকাশ ও ইংরেজি শিক্ষা দিচ্ছেন।

নাগরিকত্ব পাওয়ার আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি লুসি হল্টকে ১৫ বছরের মাল্টিপল ভিসা দেয় সরকার। একই সঙ্গে মওকুফ করা হয় তার ভিসা ফি। প্রতিবছর ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য ৩৮ হাজার টাকা দেওয়া তার জন্য কষ্টকর হচ্ছিল। তাই ফি মওকুফ ও নাগরিকত্বের আবেদন করেছিলেন লুসি। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার নাগরিকত্বের ব্যবস্থা করেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করায় লুসি হল্টকে ধন্যবাদ জানান শেখ হাসিনা।

Post A Comment: