পশ্চিমবঙ্গে শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে শাকিব খান অভিনীত ‘চালবাজ’। ভারতীয় লগ্নির সিনেমাটিতে জয়দীপ মুখার্জির পরিচালনায় নায়িকা হয়েছেন শুভশ্রী গাঙ্গুলি। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দলোকে প্রকাশ হয়েছে সিনেমাটির রিভিউ। সেখানে ওঠে এসেছে নেতিবাচক নানা দিক।

    পশ্চিমবঙ্গে শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে শাকিব খান অভিনীত ‘চালবাজ’। ভারতীয় লগ্নির সিনেমাটিতে জয়দীপ মুখার্জির পরিচালনায় নায়িকা হয়েছেন শুভশ্রী গাঙ্গুলি। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দলোকে প্রকাশ হয়েছে সিনেমাটির রিভিউ। সেখানে ওঠে এসেছে নেতিবাচক নানা দিক।


‘অতিরিক্ত দীর্ঘ, দুর্বল অভিনয়’ শিরোনামের রিভিউটি এমন—

“অনেকগুলো বলিউডি রোমান্টিক কমেডি ছবির থেকে কিছু-কিছু ঘটনা তুলে যদি একটা গল্প বানানোর চেষ্টা হয়, আর সেটা যদি মিশে যায় দুর্বল অভিনয় ও একই ধরনের সংলাপের সঙ্গে, তাহলে যা তৈরি হয়, সেটাই হলো ‘চালবাজ়’।


কাকার বাড়িতে বড় হওয়া শ্রীজাতার (শুভশ্রী) বিয়ে ঠিক করা হয়, তার উচ্চশিক্ষার স্বপ্নকে থামিয়ে দিয়ে। বিয়ের রাতেই বাড়ি থেকে পালিয়ে, লন্ডনে পুরনো প্রেমিকের কাছে চলে যায় শ্রীজাতা। গিয়ে জানতে পারে সেই ছেলেটির এক বিদেশিনী প্রেমিকা আছে। বিয়ে এবং বিদেশে পিএইচডি করার স্বপ্ন, দুটোই ভেঙে যায় শ্রীজাতার। এমন সময়েই তার পরিচয় হয় টাকা রোজগারের জন্য ড্রাইভার থেকে শেফ, সব রকম কাজ করা রাজার সঙ্গে (শাকিব)। রাজা ‘টাকার জন্য সব করতে পারে, কিন্তু নিজের কাছে নিজে ছোট হয়ে যায় এমন কিছু করবে না’। তারা একসঙ্গে দেশে ফিরে এলে শুরু হয় নানা ঘটনা। শ্রীজাতার বাড়ির লোকজন রাজাকেই তার বর ভেবে বসে।

চেনা ছকে বাঁধা হালকা মেজাজের রোমান্টিক কমেডি ছবি হতেই পারত ‘চালবাজ়’। আর সেটা হলেই হয়তো ভালো হত। ছকের বাইরে বেরনোর জন্য কিছু দুঃখের মুহূর্ত ঢোকাতে গিয়েই তাল কাটল ছবির। প্রথমত, অতিরিক্ত দীর্ঘ হয়ে যাওয়ায় মাঝে বেশ কিছু অংশ খুবই অপ্রয়োজনীয় লাগে। দ্বিতীয়ত, দুর্বল অভিনয়ের কারণে দৃশ্যগুলো ঠিক বিশ্বাসযোগ্যও হয়ে ওঠে না। শাকিবের মুখের অভিব্যক্তির কোনো বদল ঘটে না খুশির বা দুঃখের দৃশ্যে। গ্ল্যামার কুইনের অবতার থেকে বেরিয়ে আসার কোনও চেষ্টা দেখা যায় না শুভশ্রীর অভিনয়ও। রাজার সহায়কের ভূমিকায় রজতাভর অভিনয় স্বভাবতই ভাল। এক কাপ চা বানাতেও জানে না সে, অথচ এক ব্যাগ হাতা-খুন্তি নিয়ে গোয়া থেকে লন্ডন চলে যায় শেফ হতে। রজতাভর কমিক টাইমিং নিয়ে আলাদা করে কিছু বলা নিষ্প্রয়োজন। শ্রীজাতার কাকার ভূমিকায় আশিস বিদ্যার্থীও ভালো।

সবশেষে বলা যায়, গল্পটি থেকে অনেক অংশ বাদ দিয়ে, হাসির সংলাপগুলো আরো বুদ্ধিদীপ্ত করে, আরো সহজভাবে গল্পটি বললে হয়তো আর একটু ভালো লাগত।”

Post A Comment: