নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানকনন্দরে ইউএস বাংলা বিমান দুর্ঘটনায় আহত কবির হোসেনের ডান পা কেটে ফেলতে হচ্ছে। কবিরকে উন্নত চিকিৎসা দিতে সোমবার সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসকরা তার ডা পা কাটার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ডান পা কেটে ফেলতে হচ্ছে কবিরের 

নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানকনন্দরে ইউএস বাংলা বিমান দুর্ঘটনায় আহত কবির হোসেনের ডান পা কেটে ফেলতে হচ্ছে। কবিরকে উন্নত চিকিৎসা দিতে সোমবার সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসকরা তার ডা পা কাটার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।


সোমবার ভোরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে কবিরকে সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ডা. সি জ্যাকের অধীনে চিকিৎসাধীন।

একই দুর্ঘটনায় আহত শাহীন ব্যাপারীর সোমবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। রবিবার তার দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচার হয়েছিল বলে জানিয়েছিলেন চিকিৎসকরা।

এদিকে বিমান দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসায় গঠন করা মেডিকেল বোর্ডের প্রধান ডা. সামন্ত লাল সেন সাংবাদিকদের জানান, দেশে থাকতেই কবিরের পা কেটে ফেলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সিঙ্গাপুরে নেয়ায় সেটা আর করা হয়নি। সেখানকার ডাক্তারও তার পা কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত ১২ মার্চ ঢাকা থেকে রওনা দেয়া ইউএস বাংলার ড্যাশ ৮ কিউ ৪০০ উড়োজাহাজটি নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়। এতে ৪ ক্রুসহ ৭১ জন আরোহী ছিলেন। যাদের মধ্যে ৪৯ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ২৬ বাংলাদেশি, ২২ নেপালি, ১ জন চীনা নাগরিক। আর ১০ বাংলাদেশি, ৯ নেপালি, ১ মালদ্বীপের নাগরিকসহ ২০ জন আহত হন।

আহত ১০ বাংলাদেশির মধ্যে প্রথম দেশে নিয়ে আসা হয় শাহরিনকে। এরপর মেহেদী হাসান সুমন, সৈয়দা কামরুন নাহার স্বর্ণা ও আলমুন নাহার এ্যানিকে দেশে আনা হয়। সবশেষে শেখ রাশেদ রুবায়েত এবং রবিবার কবির হোসেন ও শাহীন ব্যাপারীকে দেশে নিয়ে আসা হয়েছিল। শাহীন ব্যাপারীর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশিদের নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ জনে। নেপালে নিহত বাকি ২৬ জনের সবাইকে দেশে এনে ইতোমধ্যে সমাহিত করা হয়েছে।

Post A Comment: