নেপালে ইউএস-বাংলার বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আহত বাংলাদেশিদের মধ্যে এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঢাকায় আসছেন শাহীন-কবির, ফেরানো যাচ্ছে না ইয়াকুবকে

    নেপালে ইউএস-বাংলার বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আহত বাংলাদেশিদের মধ্যে এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


রোববার আরো দু’জনকে নেপাল থেকে ঢাকায় আনা হচ্ছে। তারা হলেন- শাহীন ব্যাপারী ও মো. কবীর হোসেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়া আহত রুয়েটের সহকারী প্রফেসর ইমরানা কবির হাসির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ভারত অথবা সিঙ্গাপুরে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। হাসি বর্তমানে কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি আছেন।

অন্যদিকে নেপালের নরভিক হাসপাতালে ভর্তি আছেন দুর্ঘটনার শিকার আরেক যাত্রী ইয়াকুব আলী। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সেখান থেকে অন্য কোথাও স্থানান্তর করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সেখানকার চিকিৎসকরা।

শনিবার বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-০০৭২ ফ্লাইটে ঢাকায় আনা হয় শেখ রাশেদ রুবায়েতকে। সাড়ে ৩টার দিকে রাশেদ তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি ঢামেকের দিকে রওনা দেয়। বিকাল চারটায় অ্যাম্বুলেন্সটি ঢামেকে এসে পোঁছায়। পরে রুবায়েতকে বার্ন ইউনিটের কেবিনে ভর্তি করা হয়।

ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন বলেন, রুবায়েতের বুকের পাঁজরের একটি হাড় ভেঙে গেছে। এছাড়া তার পায়ে ফ্র্যাকচার রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, রুবায়েত অন্যদের চেয়ে ভাল আছেন, এতটা ট্রমার মধ্যে নেই অন্যান্য আহতদের মতো। তাকে বার্ন ইউনিটের কেবিনে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ১২ মার্চ নেপালে ইউএস-বাংলার বিমান বিধ্বস্তের ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ৩৬ বাংলাদেশির মধ্যে ২৬ জন মারা গেছেন। আহত হন ১০ জন।

এর মধ্যে শুক্রবার মেহেদী হাসান, সৈয়দা কামরুন্নাহার স্বর্ণা ও আলিমুন্নাহার অ্যানিকে ঢাকায় এনে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

একইভাবে গত বৃহস্পতিবার আহত শেহরিন আহমেদকে নেপাল থেকে ঢাকা আনা হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

গত বুধবার রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য আহত ডা. রেজওয়ানুল হক শাওনকে নেপাল থেকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়।

Post A Comment: