নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (টিআইএ) ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অন্তত ৫০ জনের প্রাণহানি হয়েছে বলে জানিয়েছে নেপালের সেনাবহিনী। বিমানের ১৭ যাত্রীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কাঠমান্ডুর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
 'আমি ভাগ্যবান যে বিধ্বস্ত বিমান থেকে প্রাণে বেঁচেছি'

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (টিআইএ) ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অন্তত ৫০ জনের প্রাণহানি হয়েছে বলে জানিয়েছে নেপালের সেনাবহিনী। বিমানের  ১৭ যাত্রীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কাঠমান্ডুর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।


সোমবার দুপুরে অবতরণের সময় ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিএস ২১১ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ৭৮ জন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন বিমানটিতে ৬৭ যাত্রী ও চারজন ক্রু ছিলেন।

বসন্ত বোহোরা নামে নেপালের একজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি রাশিতা ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসে চাকরি করেন। 

বসন্ত বোহোরা নেপালের দৈনিক কাঠমান্ডু পোস্টকে বলেন, ‘বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সির ১৬ জন নেপালের নাগরিক ছিলাম। আমরা বাংলাদেশে প্রশিক্ষণের জন্য গিয়েছিলাম।

তিনি আরো বলেন, ‘হঠাৎ করেই বিমানটিতে তীব্র ঝাঁকুনি শুরু হয়। এরপরই বিকট শব্দে আছড়ে পড়ে। আমার সিট বিমানটির জানালার পাশে ছিল। জানালা ভেঙে আমি বাইরে বের হয়ে আসতে সক্ষম হই।'

বসন্ত বোহোরা থাপাথলির নরভিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

বসন্ত বোহোরা আরো বলেন, ‘বিমান থেকে বের হবার আমার কোনো জ্ঞান ছিল না। কেউ একজন আমাকে সিনামঙ্গল হাসপাতালে নিয়ে আসে। এরপর আমার বন্ধুরা আমাকে নরভিক হাসপাতালে ভর্তি করায়। আমার মাথায় এবং পায়ে চোট পেয়েছি। আমার ভাগ্যবান যে বেঁচে গেছি।’

Post A Comment: