বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম নাইম হাসান বলেছেন, ‘এয়ারক্রাফট ক্রাশ একটি দীর্ঘ তদন্তের বিষয়। এটা করতে ছয় মাসও লাগতে পারে আবার এক বছর-দুই বছরও লাগতে পারে। তবে নিয়ম অনুযায়ী এক বছর সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে।’

    বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম নাইম হাসান বলেছেন, ‘এয়ারক্রাফট ক্রাশ একটি দীর্ঘ তদন্তের বিষয়। এটা করতে ছয় মাসও লাগতে পারে আবার এক বছর-দুই বছরও লাগতে পারে। তবে নিয়ম অনুযায়ী এক বছর সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে।’


বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় বেবিচকের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।

এয়ার ভাইস মার্শাল এম নাইম হাসান আরো বলেন, ‘আমাদের ইনভেস্টিগেশনের একটা টিম ঘটনার পরেই নেপাল গিয়েছিল। সেখানে তারা নেপালি ইনভেস্টিগেশন টিমকে সহযোগিতা করছে। তাদের দুইজন আজকে (বৃহস্পতিবার) ফিরে আসবে।’

তদন্ত প্রক্রিয়া দীর্ঘ হওয়ার কারণ হিসেবে এম নাইম হাসান বলেন, ‘ব্ল্যাকবক্স, ককপিটের ভয়েস রেকর্ডার, ইকুইপমেন্ট টেস্টসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন উপাদান আসতে পারে। সেগুলো একত্রিত করতে দীর্ঘ সময় লাগবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘নেপাল তদন্ত করবে। আমরা হয়তো তাদের কাজের সহযোগিতা করবো। এখন থেকে নিয়মিত তাদের এভিয়েশন অথরিটির সাথে যাতায়াত থাকবে, কাজ চলবে। এটা চলমান প্রক্রিয়া। তদন্ত কি হবে না হবে এব্যাপারে বলার মতো কিছু নেই এই মুহুর্তে।’

সংবাদ সম্মেলনে এম নাইম হাসান আরো বলেন, ‘আহতদের শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে কেউ হয়ত দেশে ফিরবে বা কেউ সিঙ্গাপুর যাবে। এটা সময়ই বলে দিবে। সেক্ষেত্রে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করবে তাদের পরিবার বা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।’

তিনি বলেন, ‘মরদেহগুলোও এখন থেকে আস্তে আস্তে চলে আসবে। একসাথে আসার সম্ভাবনা কম। কারণ মরদেহগুলো এক এক করে ময়নাতদন্ত হচ্ছে এবং চিহ্নিত করা হচ্ছে। গতকাল রাত পর্যন্ত ১৯ মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সেখানে বাংলাদেশ বা নেপাল আলাদা করা হচ্ছে না। সিরিয়াল অনুযায়ী মরদেহগুলোর ময়নাতদন্ত হচ্ছে। সেক্ষেত্রে হয়তো নিহত বাংলাদেশিদের ময়নাতদন্ত বা আনুষঙ্গিক কাজ শেষ হলে আগেই চলে আসবে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, বেবিচকক সদস্য (পরিচালনা ও পরিকল্পনা) মোস্তাফিজুর রহমান, পরিচালক (ফ্লাইট সেফটি এন্ড রেগুলেশন) জিয়াউল কবির।

Post A Comment: