গণ অর্থায়নে সিনেমা নির্মাণ বাংলাদেশে একদমই সাম্প্রতিক ঘটনা। সেই প্রক্রিয়ার এগুতে গিয়ে বারবার হোঁচট খাচ্ছেন নির্মাতা যুবরাজ শামীম, কিন্তু পিছপা হতে রাজি নন তিনি। জানালেন, হাল ছাড়বেন না।
 

গণ অর্থায়নে সিনেমা নির্মাণ বাংলাদেশে একদমই সাম্প্রতিক ঘটনা। সেই প্রক্রিয়ার এগুতে গিয়ে বারবার হোঁচট খাচ্ছেন নির্মাতা যুবরাজ শামীম, কিন্তু পিছপা হতে রাজি নন তিনি। জানালেন, হাল ছাড়বেন না।


শামীমের সিনেমাটির নাম এখন অনেকেরই জানা— ‘আদিম’। এর নির্মাণে অবলম্বন করেছেন শেয়ার বিক্রির ধারণা। এ পর্যন্ত পাঁচ হাজার টাকা করে ৬৫টি শেয়ার বিক্রি হয়েছে। পরিচালক নিজেও ব্যবস্থা করেছেন পয়ষট্টি হাজার টাকা। সেই টাকা দিয়েই নব্বই শতাংশ কাজ শেষ করেছেন শামীম। বাকি কাজের জন্য খুঁজছেন আগ্রহী লগ্নিকারকদের।

নির্মাতা আশা করছেন শিগগিরই মিলে যাবে বাকি অর্থ। তিনি বলেন, ‘বাকি ১০ শতাংশ কাজ শেষ করা এবং এডিটিং, পোস্টার তৈরি ও ৬৫ হাজার টাকার মতো বাকি আছে, এগুলোর জন্য আরো ৬০-৬৫ শেয়ার বিক্রির প্রয়োজন।’


আরো বলেন, ‘এখন অর্থের অভাবে সিনেমাটির শুটিং পর্ব বন্ধ আছে।’

গণ অর্থায়নের সাড়া সম্পর্কে শামীম বললেন, ‘প্রথমে ভেবেছিলাম সামর্থবান পরিচিতদের কাছ থেকে ঋণ সাহায্য পাবো। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে তাদের কেউ আমাকে সাহায্য করেনি। বরং যাদেরকে আমরা নিম্ন মধ্যবিত্ত বলি, তারাই আমার সিনেমার শেয়ার কিনেছে।’

সিনেমাটি সম্পর্কে জানান, ‘আদিম’ একটি মানবতার গল্প। পাশবিকতা কিংবা মানবিকতার চরম উদাহরণ তৈরি করে দিনশেষে মানুষ হয়ে ওঠার চেষ্টা নিয়ে এগিয়ে যায় কাহিনি।

টঙ্গির একটি বস্তিতে ‘আদিম’-এর মূল অংশের শুটিং করেন যুবরাজ শামীম। ছবির চরিত্ররাও বস্তিতেই বাস করেন। গ্রুমিং করিয়ে তাদের অভিনয় করিয়েছেন। ছবিতে চরিত্র প্রায় দেড় শতাধিক। মূল চরিত্রে দেখা যাবে দুলাল, সোহাগী, বাদশা ও তুফানীকে।

সিনেমেকারের ব্যানারে নির্মত হচ্ছে ‘আদিম’। এর নির্বাহী প্রযোজক মোহাম্মদ নূরুজ্জামান। চিত্রগ্রাহক হিসেবে আছেন আমির হামযা ও অরণ্য আনন্দ।

Post A Comment: