বিনিয়োগকারীদের অব্যাহত বিক্রয় চাপে সপ্তাহের ব্যবধানে (১৮ থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সিংহভাগ কোম্পানির দর পতন হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ডিএসই’র সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) কমেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএসই’র মূল্য আয় অনুপাত কমেছে 

বিনিয়োগকারীদের অব্যাহত বিক্রয় চাপে সপ্তাহের ব্যবধানে (১৮ থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সিংহভাগ কোম্পানির দর পতন হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ডিএসই’র সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) কমেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।


জানা যায়, গত সপ্তাহের শুরুতে ডিএসই’র সার্বিক পিই রেশিও ছিল ১৭.১০ পয়েন্টে। যা সপ্তাহ শেষে কমে ১৬.৭০ পয়েন্টে স্থিতি পেয়েছে। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসই’র পিই রেশিও কমেছে ০.৪০ পয়েন্ট বা ২.৩৪ শতাংশ।

সপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা শেষে ডিএসইতে ব্যাংকিং খাতের পিই রেশিও স্থিতি পেয়েছে ১০.৫০ পয়েন্ট। এ ছাড়া তথ্য প্রযুক্তি খাতের ২০.২৮ পয়েন্ট, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ১৯.৪১, প্রকৌশল খাতের ১৮.৯১, বীমা খাতের ১২.০৯, বস্ত্র খাতের ১৬.১১, বিবিধ খাতের ২৬.৯৯, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ১৭.৪৩, চামড়া খাতের ১৭.২৩, সিমেন্ট খাতের ৫১.৩৫, বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতে ১১.৭২, আর্থিক খাতে ১৬.৩৬, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে ২৬.৪৮, টেলিযোগাযোগ খাতে ২৪.৩১, সেবা ও আবসান খাতে ১৬.৮৭, সিরামিক খাতে ১৯.১৯ ও পাট খাতে ৬৩.১৪ পয়েন্ট(নেগেটিভ)।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, দেশের সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী যে সকল কোম্পানির পিই রেশিও ৪০-এর অধিক, এমন কোম্পানিতে মার্জিন ঋণ প্রদানে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। অর্থাৎ যে সকল কোম্পানির পিই রেশিও ৪০-এর নিচে এমন কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগে ঝুঁকি কম।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অব্যাহত দর পতনে পুঁজিবাজার আবারো বিনিয়োগ উপযোগী অবস্থানে ফিরে এসেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করলে পর্যাপ্ত মুনাফা করা সম্ভব।

Post A Comment: