বেলজিয়ামের একটি স্থানীয় আদালত সেখানকার একটি স্কুলের ১১ শিক্ষার্থীকে হেডস্কার্ফ (মাথার কাপড়) পরার অনুমতি দিয়েছে। শুক্রবার এ আদেশ দেয় আদালত।
শিক্ষার্থীদের হেডস্কার্ফ পরার অনুমতি দিলো বেলজিয়ামের আদালত 

বেলজিয়ামের একটি স্থানীয় আদালত সেখানকার একটি স্কুলের ১১ শিক্ষার্থীকে হেডস্কার্ফ (মাথার কাপড়) পরার অনুমতি দিয়েছে। শুক্রবার এ আদেশ দেয় আদালত।


তুর্কি সরকারি গণমাধ্যম আনাদলু এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, মাসামেসেলেন এলাকার সরকার পরিচালিত স্থানীয় ফ্লেমিশ স্কুলের কর্তৃপক্ষ হেডস্কার্ফ পরা নিষিদ্ধ করেছিল। পরে ১১ শিক্ষার্থীর অভিভাবক আদালতের দারস্থ হন।

শুক্রবার আদালত ওই রায় দিয়ে বলে, হেডস্কার্ফ নিষিদ্ধ ইউরোপিয়ান চুক্তির পরিপন্থী। কারণ ওই চুক্তিতে ইউরোপের সকল দেশে পূর্ণাঙ্গ ধর্মীয় স্বাধীনতা ভোগের কথা বলা হয়েছে।

তবে আদালতের এই রায় স্কুলটির সকল শিক্ষার্থীর জন্য প্রযোজ্য হবে না, বরং আদালতের আশ্রয় নেওয়া ওই ১১ শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে কার্যকর হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বেলজিয়াম দিয়ানেট ফাউন্ডেশনের জেনারেল ম্যানেজার কসনুকুন বেয়াজগুল বলেছেন, তারাও শিক্ষার্থীদের এই আইনি লড়াইয়ে সহায়তা করছেন।

তিনি বলেন, এই রায় দেশটির অন্যান্য মামলার ক্ষেত্রে একটি উদাহরণ হিসেবে থাকবে।

উল্লেখ্য, বেলজিয়ামের ফ্লেমিশ কমিউনিটি ফাউন্ডেশন অথরিটি ২০১৫ সালে রাষ্ট্র পরিচালিত ফ্লেমিশ স্কুলগুলোতে হেডস্কার্ফ পরা নিষিদ্ধ করে।

Post A Comment: