এতদিন ‍বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরে জঙ্গিবিরোধী অভিযান চালিয়েছে। তেজগাঁওয়ের নাখালপাড়ায় ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযানে যাওয়া র‌্যাব সদস্যদের এবার বুলেটপ্রুফ হেলমেটও ব্যবহার করতে দেখা গেছে। জঙ্গিরা যেন উন্মুক্ত মুখমণ্ডলে গুলি করতে না পারে, সে জন্যই এই ব্যবস্থা।
র‌্যাবে বুলেটপ্রফ হেলমেট 

এতদিন ‍বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরে জঙ্গিবিরোধী অভিযান চালিয়েছে। তেজগাঁওয়ের নাখালপাড়ায় ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযানে যাওয়া র‌্যাব সদস্যদের এবার বুলেটপ্রুফ হেলমেটও ব্যবহার করতে দেখা গেছে। জঙ্গিরা যেন উন্মুক্ত মুখমণ্ডলে গুলি করতে না পারে, সে জন্যই এই ব্যবস্থা।


মূল অভিযান শেষে সকালে সন্দেহভাজন জঙ্গি আস্তানার সামনেও এই হেলমেটগুলো পরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় কয়েকজন র‌্যাব সদস্যকে।

২০১৬ সালের জুলাইয়ে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার পর ৩৫টিরও বেশি জঙ্গিবিরোধী অভিযানে এই ধরনের হেলমেট ব্যবহার করতে দেখা যায়নি। যদিও র‌্যাব সদস্যরা জানিয়েছেন, এই হেলমেটগুলো আগে থেকেই ছিল তাদের।

তেজগাঁওয়ের নাখালপাড়া অভিযানে সন্দেহভাজন জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে যেসব র‌্যাব সদস্য গেছেন তাদের সবার এই হেলমেটগুলো ছিল না। যারা সামনের সারিতে ছিলেন, তারাই ব্যবহার করেছেন এগুলো।

অভিযানে অংশ নেয়া একজন র‌্যাব সদস্য জানান, হেলমেটগুলো নতুন নয়। ২০০৪ সালে র‌্যাব প্রতিষ্ঠার সময়ই নিরাপত্তার জন্য এগুলো কেনা হয়েছিল। তবে এগুলো তেমন একটা ব্যবহার করা হয় না। যারা এই ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে যান, তারাই এগুলো পরে থাকেন।

র‌্যাবের ওই সদস্য জানান, ‘গুলি বা স্প্লিন্টার যেন মুখে না লাগে সে জন্য এই হেলমেটগুলো পরা হয়। আর এ কারণে জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে ভয় কম থাকে। ফলে আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাজ করা যায়।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, র‌্যাব কী ধরনের হেলটেম ব্যাবহার করেছে, তা তো আর জানি না। তবে আমরা অভিযানে আত্মরক্ষার জন্য যে যে উপকরণ ব্যবহার করা দরকার তার সবাই আমরা করি।

এই অভিযানে সন্দেহভাজন তিন জন জঙ্গি নিহত হয়েছেন। র‌্যাবেরও দুই জন সদস্য আহত হয়েছেন। আর আস্তানাটি থেকে বেশ কিছু বিস্ফোরক, আত্মঘাতি বেল্ট উদ্ধার করা হয়েছে।

Post A Comment: