জমিজমা নিয়ে মামলা করে ফাঁসাতে ব্যর্থ হয়ে পড়ে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ চেষ্টা, মানবপাচারসহ সাতটি মামলায় একজনকে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে বরগুনায়। ভুক্তভোগীর বাড়ি জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের কালীবাড়ি গ্রাম। তার নাম হারুন অর রশীদ।
 

জমিজমা নিয়ে মামলা করে ফাঁসাতে ব্যর্থ হয়ে পড়ে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ চেষ্টা, মানবপাচারসহ সাতটি মামলায় একজনকে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে বরগুনায়। ভুক্তভোগীর বাড়ি জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের কালীবাড়ি গ্রাম। তার নাম হারুন অর রশীদ।


সোমবার বিকেলে বরগুনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তুলে ধরেন হারুণ। তাকে ফাঁসাতে চেষ্টার কথা তুলে ধরতে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
পুত্র হারুন অর রশিদ ও তার বড় বোন ফিরোজা বেগম।

হারুন বলেন, তিনি তার বাবা ছাইদুর রহমানের একমাত্র ছেলে। বাবার মৃত্যুর পর চাচা তোরাব আলী ও তার ছয় ছেলে তাদের জমিজমা দখল করে নিতে চাইছে।  ২০১৫ সালের ৬ মে চাচাত ভাই আল আমিনের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা হারুন ও তার বৃদ্ধা মা হাজেরা খাতুনকে কুপিয়ে ও রড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে।

বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দীর্ঘ চিকিৎসার পর প্রতিপক্ষ চাচাতভাইসহ আটজনকে আসামি করে পাথরঘাটা থানায় ২০১৫ সালের ২২ মে মামলা করেন হারুন। তিনি জানান, এই মামলায় পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার পর বেপরোয়া হয়ে ওঠে তার চাচাত ভাইরা। মামলা তুলে নিতে দিতে থাকে একের পর এক হুমকি। এতেও হারুনকে দমাতে না পেরে তাকে ধর্ষণ চেষ্টা, মানব পাচার ও নারী নির্যাতনসহ সাতটি মামলা করা হয় তার বিরুদ্ধে।

হারুন বলেন, ‘পাথরঘাটা উপজেলায় যেখানেই যে ঘটনা ঘটুক না কেন বাদীপক্ষকে মামলার খরচ দিয়ে সেসব ঘটনার সাথে জড়িয়ে আমাকে আসামি করে আসছে চাচাত ভাইয়েরা।’
হারুণ বলেন, পৈতৃকসূত্রে পাওয়া সামান্য জমি চাষ করে মা আর স্ত্রীসন্তান নিয়ে কোনমতে চলছিলেন তিনি। এখন একের পর এক মামলার ভয়ে তিনি বাড়ি থাকতে পারেন না।

এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোল্লা মোহাম্মদ খবীর আহমেদ বলেন, ‘হারুন-অর-রশীদের করা মামলার বিষয়ে পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছে। এখন এটা অদালতের বিচার্য বিষয়। তবে তার বিরুদ্ধে যদি কোন মিথ্যে মামলা হয়ে থাকে তবে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে বিষয়টি দেখা হবে।’

Post A Comment: