পুঁজিবাজারের বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত দেশ গার্মেন্টস ২০১৬-১৭ হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদনে মুনাফা বেশি দেখিয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটি আর্থিক প্রতিবেদনে প্রকাশিত স্থায়ী সম্পদ ও প্রপার্টি, প্লান্ট অ্যান্ড ইক্যুপমেন্টের সত্যতা যাচাই করা যায়নি বলে জানিয়েছে কোম্পানিটির নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান।
মুনাফা বেশি দেখিয়েছে দেশ গার্মেন্টস 

পুঁজিবাজারের বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত দেশ গার্মেন্টস ২০১৬-১৭ হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদনে মুনাফা বেশি দেখিয়েছে। এছাড়া কোম্পানিটি আর্থিক প্রতিবেদনে প্রকাশিত স্থায়ী সম্পদ ও প্রপার্টি, প্লান্ট অ্যান্ড ইক্যুপমেন্টের সত্যতা যাচাই করা যায়নি বলে জানিয়েছে কোম্পানিটির নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান।


বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রকাশিত দেশ গার্মেন্টসের আপত্তিকর মন্তব্যে (কোয়ালিফাইড রিপোর্ট) নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

জানা যায়, বাংলাদেশ হিসাব মান (বিএএস)-১৬ অনুযায়ী, দেশ গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষ পূণঃমূল্যায়নজনিত অতিরিক্ত (সারপ্লাস) সম্পদের উপর ২০১৬-১৭ অর্থবছরের আর্থিক হিসাবে অবচয় গণনা করেনি। এতে করে কোম্পানিটি আর্থিক হিসাবে মুনাফা ও সম্পদ বেশি দেখানো হয়েছে।

এছাড়া, স্থায়ী সম্পদের হালনাগাদ (আপডেটেড) তথ্য পায়নি নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান। যাতে করে কোম্পানির স্থায়ী সম্পদ ও প্রপার্টি, প্লান্ট অ্যান্ড ইক্যুপমেন্টের সত্যতা যাচাই করা হয়নি।

এদিকে, পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত একটিভ ফাইন কেমিক্যাল কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) শেয়ার ধারণের নির্দেশনা মানছে না বলে জানিয়েছে তাদের নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান।

বিএসইসির ২০১১ সালের ৭ নভেম্বরের নিদের্শনা অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত প্রত্যেক কোম্পানির পরিচালককে এককভাবে ২ শতাংশ ও সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করতে হবে। কিন্তু একটিভ ফাইনের এক পরিচালক ১.৯৮ শতাংশ শেয়ার ধারণের মাধ্যমে বিএসইসি’র ওই নির্দেশনা লঙ্ঘন করেছে। পাশাপাশি কোম্পানিটির পরিচালকদের নিকট সম্মিলিতভাবে মাত্র ১২.০২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

Post A Comment: