বাংলাদেশ বিড়ি শিল্পের ওপর থেকে সব ধরনের কর প্রত্যাহারের দাবি ও বিড়ি শ্রমিকের মজুরি বৃ্দ্ধির দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের নেতারা। সোমবার দুপুরে শরীয়তপুর পৌরসভা চত্ত্বরে সংগঠন আয়োজিত মানববন্ধন ও রোড শো শেষে তারা এ দাবি জানান।
 

বাংলাদেশ বিড়ি শিল্পের ওপর থেকে সব ধরনের কর প্রত্যাহারের দাবি ও  বিড়ি শ্রমিকের মজুরি বৃ্দ্ধির দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের নেতারা। সোমবার দুপুরে শরীয়তপুর পৌরসভা চত্ত্বরে সংগঠন আয়োজিত মানববন্ধন ও রোড শো শেষে তারা এ দাবি জানান।



এতে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এম কে বাঙ্গালী, সাংগঠনিক সম্পাদক হেরিক হোসেন, সদস্য শামীম ইসলাম ও আবুল হাসনাত লাবলু।

নেতারা থেকে বর্ধিত কর প্রত্যাহার ও এই শিল্পকে রক্ষা করতে বিশেষ কমিশন গঠনের দাবি করেছেন।

বিড়ির উপর বর্ধিত ট্যাক্স প্রত্যাহার ও বিড়ি শিল্প নিয়ে ষড়যন্ত্র বন্ধের দাবিতে 'বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন' শরীয়তপুর অঞ্চলের বিড়ি শ্রমিক ও কর্মচারীরা এ মানববন্ধন ও পথসভার  আয়োজন করা হয়।

তার আগে কোটাপাড়া মোড় থেকে বিশাল এক মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে শ্রমিকরা কেন্দ্রীয়  শ্রমিকনেতাদের পৌর চত্ত্বরে নিয়ে আসেন।

মানববন্ধনে এমকে বাঙ্গালী বলেন, বিড়ি শিল্প নিয়ে একপাক্ষিকভাবে সরকারের আমলারা সিদ্ধান্ত নেন। আর এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে বার বার একটি কুচক্রী মহল বিড়ি শিল্প বন্ধের ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে।

তিনি বলেন, সরকারের কাছে আমাদের দাবি বিড়ি শিল্পের বিষয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে একটি বিশেষ কমিশন গঠন করুন। যেখানে মালিক প্রতিনিধি, শ্রমিক প্রতিনিধি এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকবে। যাদের সম্মিলিত সিদ্ধান্তে ট্যাক্স, শ্রমিকদের মজুরিসহ বিড়ি শিল্পের বিষয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মানববন্ধনে বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, ধুমপান খারাপ এটা ঠিক। কিন্তু সিগারেট কি ধুমপান না? বিড়ি এবং সিগারেট দুটোই খারাপ। তাহলে সিগারেট রেখে বিড়ি কেন বন্ধ করবেন। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই এদেশে ধুমপান থাকলে বিড়ি শিল্প থাকবে।

তিনি আরো বলেন, যুগ যুগ ধরে আমাদের দেশের নিজস্ব শিল্পকে ধ্বংস করতে ষড়যন্ত্র চলছে। যে কারণে আমাদের পাটশিল্প ধ্বংস হয়ে গেছে। এখন চক্রান্ত শুরু হয়েছে বিড়ি শিল্প নিয়ে। কিন্তু আমাদের জীবন থাকতে এই শিল্পকে ধ্বংস হতে দেবো না। প্রয়োজনে দেশের যে সমস্ত অঞ্চলে বিড়ি শিল্প রয়েছে সেই এলাকার সমস্ত রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলন চালিয়ে যাবো।

গত নভেম্বর মাসের শুরুতে রোড শো শুরু করেন শ্রমিকরা। মঙ্গলবার রোড শো হবে বরিশালে। এরপর পটুয়াখালীতে রোড শো শেষ হবে বুধবার।

Post A Comment: