ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হকের মরদেহ দেখতে এবং তাঁর স্বজনদের সমবেদনা জানাতে বনানীর বাসায় গেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হকের মরদেহ দেখতে এবং তাঁর স্বজনদের সমবেদনা জানাতে বনানীর বাসায় গেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


শনিবার দুপুর দুইটার কিছু আগে আনিসুল হকের বাসায় যান প্রধানমন্ত্রী।  তিনি আনিসুল হকের বাসভবনে প্রায় ৩০ মিনিট অবস্থান করেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী আনিসুল হকের পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান। তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

স্পিকার শিরীন শারমীন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

এর আগে বেলা দেড়টার দিকে আনিসুল হকের মরদেহ বহনকারী গাড়ি ২৩ নম্বর সড়কের বাসায় পৌঁছে। এ সময় স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। সৃষ্টি হয় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের।

মেয়রের মরদেহ বিকাল তিনটা পর্যন্ত বাসায় রাখা হবে। সেখানে তাঁর পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা শেষবারের মতো তাঁকে দেখছেন। 

বাসা থেকে বিকাল সাড়ে তিনটায় আর্মি স্টেডিয়ামে নেয়া হবে মেয়রের মরদেহ। সেখানে সর্বস্তরের মানুষ তাঁর মরদেহে শ্রদ্ধা জানাবেন। পরে বাদ আসর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আনিসুল হকের মরদেহ বনানী কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে এবং ছোট ছেলের কবরে দাফন করা হবে।

এর আগে আনিসুল হকের মরদেহবাহী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি বেলা পৌনে একটার দিকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাঁর মরদেহ বনানীর বাসায় আনা হয়।

বিমানবন্দরে পরিবারের পক্ষ থেকে আনিসুল হকের মরদেহ গ্রহণ করেন মেয়রের ছোটভাই সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মো. শফিউল হক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরসহ বিশিষ্টজনেরা।

মেয়র আনিসুল হক দীর্ঘদিন যাবত অসুস্থ অবস্থায় লন্ডনে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালে গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের সময় রাত ১০টা ২৩ মিনিটে ইন্তেকাল করেন।

Post A Comment: