প্রার্থনা ও নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বড় ধর্মীয় উৎসব-বড়দিন। সোমবার সকাল থেকে রাজধানীসহ দেশের গির্জায় গির্জায় শুরু হয় বড়দিনের উৎসব।
 

প্রার্থনা ও নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বড় ধর্মীয় উৎসব-বড়দিন। সোমবার সকাল থেকে রাজধানীসহ দেশের গির্জায় গির্জায় শুরু হয় বড়দিনের উৎসব।


সকালে কাকরাইলের সেন্ট মেরিস ক্যাথিড্রালে বড় দিনের প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী হাজারও নারী-পুরুষ ও শিশু অংশ নেয়। প্রার্থনায় অংশ নিতে ঘণ্টা আগে থেকে সেখানে উপস্থিত হতে শুরু করেন খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা।

এই চার্চের ফাদার ক্যারুবিন বাকলা বলেন, যিশুর জন্মদিনটা অনেকটাই রহস্যাবৃত ছিল। দিনটি আজ উন্মোচিত হল। দেহ ধারণের মাধ্যমে অদৃশ্য ঈশ্বরকে প্রকাশিত করলেন। এই ঈশ্বর আমাদের প্রেমময়, দয়াবান, জীবনদাতা অনেকভাবেই আমরা ব্যাখ্যা করি ও বিশ্বাস করি।

গির্জায় প্রার্থনা শেষে বাড়িতে বাড়িতে চলছে উৎসব। বড়দিনের কেক কাটা ও ক্রিসমাস ট্রিতে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। গির্জাগুলোতে গোশালায় জন্ম নেওয়া যিশুর জন্মদিনের ক্ষণটিকে প্রতীকীভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

সোমবার বড়দিন হলেও আগের রাত থেকেই উৎসবে মেতে উঠেছেন খ্রিস্টান ধর্মাবম্বীরা। রবিবার রাত ১১টার দিকে বিভিন্ন গির্জা ও উপাসনালয়ে প্রার্থনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় বড় দিনের উদযাপন। সেখানে মঙ্গলবাণী পাঠের মাধ্যমে নিজের পরিশুদ্ধি এবং জগতের সব মানুষের জন্য মঙ্গল কামনা করা হয়।

বড়দিন উপলক্ষে রাজধানীর পাঁচ তারকা হোটেলগুলোতে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। শিশুদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন অনুষ্ঠান। এসব অনুষ্ঠানে সান্তাক্লজ শিশুদের নানা ধরণের উপহার দিচ্ছেন।

খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিস্ট বেথলেহেমে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। খ্রিস্টধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, স্রষ্টার মহিমা প্রচার এবং মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করার জন্য যিশুখ্রিস্ট অর্থাৎ ঈসা আ. জন্ম নিয়েছিলেন। আজ সরকারি ছুটির দিন।

Post A Comment: