রাজধানীতে জাসদ (ছাত্রলীগ) নেতা মো. কামরুল ইসলাম মোমিন হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ও ছয় আসামির যাবজ্জীবন সাজার রায় বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। এর আগে বুধবার আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শেষে রায়ের এদিন ধার্য করা হয়।
কলেজছাত্র মোমিন হত্যায় ৮ আসামির সাজা বহাল 

রাজধানীতে জাসদ (ছাত্রলীগ) নেতা মো. কামরুল ইসলাম মোমিন হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ও ছয় আসামির যাবজ্জীবন সাজার রায় বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। এর আগে বুধবার আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শেষে রায়ের এদিন ধার্য করা হয়।


মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা আসামি হলেন— সাখাওয়াত হোসেন জুয়েল ও তারেক ওরফে জিয়া। দুজনই পলাতক।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন— হাবিবুর রহমান তাজ, ঠোঁট উঁচা বাবু, মনির হাওলাদার, হাসিবুল হক জনি, জাফর আহমেদ ও শরিফ উদ্দিন। এই ছয়জনের মধ্যে প্রথম দুজন ছাড়া অপর চার আসামি পলাতক।

ঢাকা কমার্স কলেজের ছাত্র মোমিন জাসদ ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর শাখার সহ সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

মোমিন হত্যার এই মামলায় প্রধান আসামি ছিলেন মতিঝিল থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম রফিকুল ইসলাম।

ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ২০১১ সালের ২০ জুলাই এ মামলার রায়ে ওসি রফিকসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন দেন।

কারাবন্দি অবস্থায় ২০১৫ সালের ২২ ডিসেম্বর ওসি রফিকের মৃত্যু হওয়ায় হাই কোর্টের রায়ে বাকি সব আসামির সাজাই বহাল রাখা হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর কাফরুলে কলেজছাত্র মোমিনকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ওইদিন নিহতের বাবা আবদুর রাজ্জাক বাদী হয়ে মতিঝিল থানার সাবেক ওসি রফিকুল ইসলামসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে কাফরুল থানায় হত্যা মামলা করেন।

এই মামলায় ২০১১ সালের ২০ জুলাই ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ রায়ে তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

Post A Comment: