১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত যাদের বয়স ১৩ বছরের নিচে তারা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে না মর্মে সরকারের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে রিট আবেদনকারী খন্দকার শহিদুল ইসলাম ওরফে শহিদুল্লাহর ক্ষেত্রে গেজেটের কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন আদালত। এছাড়াও তাকে দেওয়া পৃথক চিঠির কার্যকারিতা আগামী ৬ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
 

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত যাদের বয়স ১৩ বছরের নিচে তারা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে না মর্মে সরকারের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে রিট আবেদনকারী খন্দকার শহিদুল ইসলাম ওরফে শহিদুল্লাহর ক্ষেত্রে গেজেটের কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন আদালত। এছাড়াও তাকে দেওয়া পৃথক চিঠির কার্যকারিতা আগামী ৬ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।


মঙ্গলবার এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী একেএম ফজলুল করিম ও ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন।

পরে ব্যারিস্টার এবিএম আলতাফ হোসেন বলেন, রিট আবেদনকারীর নাম ভারতীয় তালিকায় এবং লাল মুক্তি বার্তায় থাকা সত্ত্বেও তাকে চিঠি দেওয়া হয়েছে যে, আপনার বয়স ১৩ বছর পূর্ণ না হওয়ায় মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে সুযোগ-সুবিধা পাবেন না।

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত যাদের বয়স ১৩ বছরের নিচে তারা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন না মর্মে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় গত বছরের ১০ নভেম্বর গেজেট জারি করে। পরে ওই চিঠি এবং গেজেটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন খন্দকার শহিদুল ইসলাম।

Post A Comment: