পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় ব্রা‏‏হ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের পাগলা নদীতে নৌকাডুবে বিরগাঁও স্কুল এন্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত ও ১০ জন আহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে। ৩৯টি মাছের ঘের মালিকের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছেন ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা।
The-case-of-the-death-of-two-JSC-examinees-in-the-boat-sank 

পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় ব্রা‏‏হ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের পাগলা নদীতে নৌকাডুবে বিরগাঁও স্কুল এন্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত ও ১০ জন আহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে। ৩৯টি মাছের ঘের মালিকের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছেন ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা।


স্থানীয়রা জানান, তিতাসের শাখা নদী পাগলায় অসংখ্য অবৈধ মাছের ঘের রয়েছে। এ কারণে নৌযান চলাচলে মারাত্মক সমস্যা হয়। নৌকাডুবির দিন তাৎক্ষণিক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহীন তানভীর গাজী ওই নদীতে স্থাপিত কিছু মাছের ঘের উচ্ছেদ করেন এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অন্যান্য মাছের ঘের সরানোর নির্দেশ দেন। ওই ঘের সরিয়ে না নেওয়া এবং তদন্তেও নৌ-ডুবির অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে আসায় বীরগাঁও ইউনিয়নের ভুমি সহকারী কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন বাদী হয়ে রবিবার রাতে ৩৯ জন মাছের ঘের মালিককে আসামি করে নবীনগর থানায় মামলা করেন।

জানা গেছে, বীরগাঁও ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর, গৌরনগর ও থানাকান্দি মৌজায় ১নং খাস খতিয়ানের তিতাস নদীতে কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমতি ছাড়াই ডালপালা, বাঁশ ও কুচুরি পানা দিয়ে এলাকার একশ্রেণীর প্রভাবশালী ব্যক্তি তিতাস নদী ও তার শাখা পাগলা নদীতে মাছের ঘের তৈরি করে অবৈধভাবে ব্যবসা করে আসছে। যার কারণে নদীপথে নৌকা, লঞ্চ ও স্পিডবোর্ড চলাচলের মারাত্মক বিঘ্ন হয়।

সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওই নদীর ঘেরের পাঁচটি পয়েন্ট থেকে পাঁচজনকে আটক করেন। তিনি বলেন, ঘের উচ্ছেদের এটি একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ, ঘের উঠিয়ে নিলে এদের ছেড়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য গত বুধবার সকালে উপজেলার বিরগাঁও স্কুল এন্ড কলেজের জেএসসি’র কয়েকজন শিক্ষার্থী নৌকায় করে কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের আবদুল জব্বার উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিলেন। এ সময় নৌকাঘাট সংলগ্ন এলাকায় আসার পর নৌকাটি ডুবে যায়। এতে দুই পরীক্ষার্থী মারা যান। আহত হন আরও ১০ জন।

Post A Comment: