ঝালকাঠির রাজাপুরে জেলেদের কাছে চাঁদা দাবি, মারধর এবং দুই মণ ইলিশ আত্মসাতের অভিযোগে বরিশালের বাকেরগঞ্জের নেয়ামতি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আতিকুর রহমানসহ নৌপুলিশের পাঁচ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সোমবার দুপুরে ঝালকাঠির বিশেষ জজ আদালতে রাজাপুরের পালট গ্রামের জেলে আবদুল মন্নাফ খান বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. ইখতিয়ারুল ইসলাম মল্লিক আগামী ২৯ নভেম্বর আদেশ প্রদানের জন্য দিন ধার্য করেন।
ঝালকাঠিতে ৫ নৌ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা 

ঝালকাঠির রাজাপুরে জেলেদের কাছে চাঁদা দাবি, মারধর এবং দুই মণ ইলিশ আত্মসাতের অভিযোগে বরিশালের বাকেরগঞ্জের নেয়ামতি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আতিকুর রহমানসহ নৌপুলিশের পাঁচ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সোমবার দুপুরে ঝালকাঠির বিশেষ জজ আদালতে রাজাপুরের পালট গ্রামের জেলে আবদুল মন্নাফ খান বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. ইখতিয়ারুল ইসলাম মল্লিক আগামী ২৯ নভেম্বর আদেশ প্রদানের জন্য দিন ধার্য করেন।


আইনজীবী মানিক আচার্য জানান, রাজাপুর উপজেলার পালট ও বড়াইয়া গ্রামের ১০০ জেলে প্রতিদিন বিষখালী নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। মাছ ধরতে হলে বিষখালী নদী তীরবর্তী নিয়ামতি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আতিকুর রহমান, এএসআই মো. আফজাল হোসেন, নায়েক মো. রিয়াজুল হক, কনস্টেবল আনোয়ার হোসেন ও আলতাফ হোসেন জেলেদের নৌকাপ্রতি দেড় হাজার টাকা করে মোট দেড় লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। অন্যথায় নদীতে মাছ ধরতে নিষেধ করা হয়। দাবিকৃত চাঁদার টাকা না দিলে নৌকা আটক করে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে রাখা হয়। ছাড়িয়ে আনতে গেলে নৌকাপ্রতি পাঁচ হাজার টাকা করে দিতে হয় পুলিশকে।

গত ১৫ নভেম্বর সকালে জেলে নুরুজ্জামান খান ও তার ভাই আবদুল মন্নাফ খান বিষখালী নদী থেকে বড় ইলিশ মাছ ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন। সেখানে পাইকার এসে মাছগুলো কিনে নেওয়ার সময় হাজির হন নিয়ামতি নৌপুলিশ ফাঁড়ির পাঁচ সদস্য। তারা জেলেদের কাছে এক সপ্তাহের জন্য দেড় লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় ওই পুলিশ সদস্যরা জেলেদের মারধর করেন। এসময় পুলিশ জেলে নুরুজ্জামান খানকে আটক করে। তাৎক্ষণিক পুলিশকে ২০ হাজার টাকা দিলে আটক জেলেকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। এসময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে জেলেদের দুই মণ বড় ইলিশ মাছ নিয়ে যায়। এর প্রতিবাদ করলে আবারো জেলেদের মারধর করা হয়। পরে নৌ পুলিশ রাজাপুর থানায় গিয়ে ৫২ জন জেলের নামে সরকারি কাজে বাধাদান ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় উল্টো একটি মামলা দায়ের করে। এ মামলায় দুই জেলেকে গ্রেপ্তার করে রাজাপুর থানা পুলিশ।

নিয়ামতি নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আতিকুর রহমান বলেন, জেলেদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ায় তারা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে।

Post A Comment: