শীতের আগমনে সবজির সরবরাহ যেমন বেড়েছে তেমনি কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা দামও কমেছে। অন্যদিকে, আমদানি বাড়ায় সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে চালের দামও। আর নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি ফেরায় হাসি ফিরেছে ক্রেতাদের মুখে। যদিও নাগালের বাইরে রয়েছে পেঁয়াজের দাম।
শীতের আগমনে সবজির বাজারে স্বস্তি 

শীতের আগমনে সবজির সরবরাহ যেমন বেড়েছে তেমনি কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা দামও কমেছে। অন্যদিকে, আমদানি বাড়ায় সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে চালের দামও। আর নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি ফেরায় হাসি ফিরেছে ক্রেতাদের মুখে। যদিও নাগালের বাইরে রয়েছে পেঁয়াজের দাম।


দেশীয় ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি এনায়েত হোসেন  বলেন, বছরের শুরু থেকে নিত্যপণ্যের চড়া দামে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হলেও গত দুই সপ্তাহে তা স্বাভাবিক হয়েছে। যদিও অন্যান্য বছেরর তুলনায় দাম সামান্য বেশি।

তিনি বলেন, গত বছর শীতের শুরুতে টমাটো প্রতি কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হলেও এ বছর কিন্তু দ্বিগুণ। তবে শিম, কপি, মূলা, শালগমের দাম রয়েছে সহনীয় অবস্থানে।

শুক্রবার রাজধানীর রামপুরা ও মেরাদিয়া কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। প্রতিকেজি টমেটো ও শালগম বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। আর ফুলকপি প্রতি পিস ২৫ থেকে ৩০ টাকা, বাঁধা কপি ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়।  ধনিয়া পাতা বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকায়, ভারতীয় পেঁয়াজ ৭০ টাকায়। এ ছাড়া আদা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়, রসুন ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া বেগুন ৫০ থেকে ৬০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ টাকা, ঝিঙা ৫০ টাকা,  কাঁকরোল ৫০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, পেঁপে ২০ থেকে ২৫ টাকা, কচুর লতি ৪০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতিটি ৩০ টাকা, গাজর ৮০, পুঁইশাক প্রতি আটি ১৫ থেকে ২০ টাকা, লালশাক ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা। এ ছাড়া দেশি মুরগি ২২০ থেকে ৩৫০ টাকা পিস, লেয়ার মুরগি ২২০ টাকা এবং কক আকার ভেদে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

গত এক সপ্তাহে চালের দামে তেমন কোন পরিবর্তন আসেনি। সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি ও আমদানি করা মোটা চাল (স্বর্ণা, বিআর-২৮, গুটি) বিক্রি হচ্ছে ৪২ টাকায়, মিনিকেট রশিদ ও বাসরি ৬০ টাকা।

এদিকে, মিনিকেট (সাধারণ) ৫৪ টাকা, নাজিরশাইল ৬২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ থাকলে বাজারে দামও কম থাকে। তবে গেল জানুয়ারি থেকে অতিবৃষ্টি ও হাওরাঞ্চলে বন্যার কারণে লাগামহীন ছিল নিত্যপণ্যের দাম। শীতের আগমনে নতুন সবজির সরবরাহ বাড়ায় কমেছে দাম।

Post A Comment: