উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী দিপাবলী উৎসব উপলক্ষ্যে বরিশাল নগরীর কাউনিয়ার মহাশ্মশান এবং নতুন বাজারের আদি শ্মশানে ঢল নেমেছিল হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ সর্বস্তরের মানুষের।
 Traditional-Dipashi-festival-is-celebrated-in-Barisal

উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী দিপাবলী উৎসব উপলক্ষ্যে বরিশাল নগরীর কাউনিয়ার মহাশ্মশান এবং নতুন বাজারের আদি শ্মশানে ঢল নেমেছিল হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ সর্বস্তরের মানুষের।


বুধবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এই উৎসবে প্রয়াত হয়ে যাওয়াদের সমাধিতে দ্বীপ জ্বেলে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন স্বজনরা। এসময় অনেক স্বজনরা সমাধিতে বিলাপ করেন।

দিপাবলী উৎসবের এ রেওয়াজ চলছে ১৬০ বছর ধরে। ফুল ও আলোকবাতিসহ নানা উপকরণে সাজানো হয় স্বজনদের সমাধি। স্বজনদের আত্মার শান্তি কামনা এবং স্মৃতির্পণ চলে গভীর রাত পর্যন্ত। প্রতি বছর চর্তুদর্শীর পূণ্য তিথিতে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়। প্রতিবারের মতো এবারও এ দিপাবলী উৎসবে যোগ দিতে দেশ-বিদেশ থেকে এসেছেন হাজারো মানুষ। দিপাবলীকে ঘিরে মহাশ্মশান এলাকায় মেলা বসেছিলো।

বরিশাল মহাশ্মশান রক্ষা সমিতির সভাপতি মানিক মুখার্জি জানান, গতকাল ভূত চতুর্দশী পূণ্য তিথিতে দিপাবলী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দুটি শ্মশান এলাকা ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা বেস্টনী তৈরি করে।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এস এম রুহুল আমিন বলেন, ‘প্রার্থনা করতে আসা ভক্তদের নিরাপত্তায় সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।’

এই মহাশ্মশানে ভারত থেকে চার বছর আগে নিয়ে আসা হয় ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা অশি^নী কুমার দত্তের চিতাভস্ম। রয়েছে বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা বিপ্লবী দেবেন্দ্র ঘোষের সমাধি, মনোরমা বসু মাসিমাসহ অসংখ্য বিপ্লবী এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সমাধি রয়েছে এই শ্মশান প্রাঙ্গনে।

Post A Comment: