মোবাইল ফোনে জীনের বাদশা, পীর-দরবেশ বা সাধু সন্নাসী সেজে লটারির লোভ বা ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়কারী প্রতারক চক্রের ৩ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-৮ মাদারীপুর ক্যাম্পের সদস্যরা। এ সময় স্বর্ণ বলে প্রচারিত ২২টি পিতলের সরঞ্জাম, ২টি ল্যাপটপ, ২৩টি মোবাইল ফোন, ৮১টি সীম কার্ড ও ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৪শ টাকা এবং বিভিন্ন ব্যাংকের চেক জব্দ করা হয়।
Three-members-of-the-Jinns-king-fraud-team-detained 

মোবাইল ফোনে জীনের বাদশা, পীর-দরবেশ বা সাধু সন্নাসী সেজে লটারির লোভ বা ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়কারী প্রতারক চক্রের ৩ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-৮ মাদারীপুর ক্যাম্পের সদস্যরা। এ সময় স্বর্ণ বলে প্রচারিত ২২টি পিতলের সরঞ্জাম, ২টি ল্যাপটপ, ২৩টি মোবাইল ফোন, ৮১টি সীম কার্ড ও ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৪শ টাকা এবং বিভিন্ন ব্যাংকের চেক জব্দ করা হয়।


ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার বটতলা এলাকা থেকে রোববার রাতে তাদেরকে আটক করা হয়।


আটকেরা হলেন- ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার চতলারপাড় গ্রামের রাসেল মিয়া (২১) ও একই গ্রামের শাকিল মাতুব্বর (১৬) এবং উপজেলার পাতরাইল গ্রামের সামসু মাতুব্বর (৩৫)।


সোমবার দুপুরে র‌্যাব-৮ মাদারীপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মো. রাকিবউজ্জামান এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যক্তির মোবাইলে কল দিয়ে জীনের বাদশা পরিচয় দেয় এই চক্রের সদস্যরা। এমনকি কখনও সাধু সন্ন্যাসী সেজে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার কথা বলে প্রতারণার মাধ্যমে নারী ও সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এরপর যে মোবাইল থেকে কল করা হয়, সেটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করে রাখে এই চক্রের সদস্যরা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মানুষ যখন ঘুমে থাকে, গভীর রাতে এই চক্রের সদস্যরা নির্জন কোনো স্থানে গিয়ে ফোন করে টাকা হাতিয়ে নিয়ে ধোকা দেয়। এমন প্রতারণার শিকার বেশ কয়েকজনের অভিযোগের ভিত্তিতে গত দুই মাস ধরে এই চক্রটিকে ধরতে কাজ শুরু করে র‌্যাব-৮ মাদারীপুর ক্যাম্পের সদস্যরা। পরে রোববার রাতে এই চক্রের মূলহোতা রাসেল মিয়াসহ ৩ জনেক আটক করা হয়।


আটকদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলেও র‌্যাবের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে।

এই জীনের বাদশা প্রতারক চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানায় মামলার পরে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানানো হয়।

Post A Comment: