মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধদের নৃশংসতার শিকার হয়ে যাতে অন্তত প্রাণটা হারাতে না হয়, তাই নাফ নদী পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আসতে চেয়েছিল ওরা। কিন্তু নিয়তি ওদের নদী পাড় হতে দিলো না। কথায় বলে না- ‘যার মরণ যেখানে নাও (নৌকা) ভাড়া করে যায় সেখানে’। সে কথা সত্যি হলো ১০ রোহিঙ্গা শিশুসহ ১২ জনের ক্ষেত্রে।শনিবার রাত ৯টার দিকে মিয়ানমার থেকে নাফ নদী পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার চেষ্টা করে কিছু রোহিঙ্গা।
They-died-while-living 

মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধদের নৃশংসতার শিকার হয়ে যাতে অন্তত প্রাণটা হারাতে না হয়, তাই নাফ নদী পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আসতে চেয়েছিল ওরা। কিন্তু নিয়তি ওদের নদী পাড় হতে দিলো না। কথায় বলে না- ‘যার মরণ যেখানে নাও (নৌকা) ভাড়া করে যায় সেখানে’। সে কথা সত্যি হলো ১০ রোহিঙ্গা শিশুসহ ১২ জনের ক্ষেত্রে।শনিবার রাত ৯টার দিকে মিয়ানমার থেকে নাফ নদী পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার চেষ্টা করে কিছু রোহিঙ্গা।


কিন্তু মাঝ পথে তাদের নৌকা ডুবে যায়। সোমবার সকালে ১২টি লাশ ভেসে উঠে। যার ১০টিই শিশু। এখনো তিনজন নিখোঁজ আছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে বিজিবি।

টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম আরিফুল ইসলাম জানান, রোববার রাতে শাহপরীর দ্বীপে নাফ নদীর ঘোলার চর পয়েন্টে রোহিঙ্গাবাহী ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটে। সোমবার সকালে ১২টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের মধ্যে ১০টি শিশু, ১টি নারী ও ১টি পুরুষের।

এ ঘটনায় ১৩ জন রোহিঙ্গাকে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের টহল নৌকা জীবিত উদ্ধার করেছে। এখনো কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছে বলেও জানান বিজিবির এই কর্মকর্তা।

তিনি জানান, জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে লাশগুলো উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ দাফনের ব্যবস্থা করছে।

Post A Comment: