বন্যা বিধ্বস্ত কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ছিনাই, ঘড়িয়ালডাঙ্গা, বিদ্যানন্দ ও নাজিমখান ইউনিয়নের ২৫টি গ্রামের ৫ শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পয়সার অভাবে এখনও গৃহনির্মাণ করতে পারেনি।
There-is-no-limit-to-the-suffering-of-the-homeless-people-of-Kaluya-Char 

বন্যা বিধ্বস্ত কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ছিনাই, ঘড়িয়ালডাঙ্গা, বিদ্যানন্দ ও নাজিমখান ইউনিয়নের ২৫টি গ্রামের ৫ শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পয়সার অভাবে এখনও গৃহনির্মাণ করতে পারেনি।


এর মধ্যে দুমড়ে-মুচড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া ছিনাই ইউনিয়নের কালুয়ার চর এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের কষ্টের সীমা নেই। হাতে পয়সা না থাকায় ও এলাকায় কাজের অভাবে তারা এখনও তাদের বিধ্বস্ত ঘরগুলো মেরামত ও পূননির্মাণ করতে পারছেন না।

বন্যায় তাদের সবকিছু হারিয়ে যাওয়ায় তারা বর্তমানে পরিবার-পরিজন নিয়ে আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি, বাঁধসহ বিভিন্ন স্থানে মানবেতর যাপন করছেন।

গত ২০ আগস্ট রাজারহাটের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সফরে এসে তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে বন্যার্তদের বিভিন্ন সহযোগীতা করে ক্ষতিগ্রস্তদের ৩মাস পর্যন্ত ত্রাণ সরবরাহ ও গৃহনির্মাণের করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও রাজাহাটের এসব বাড়িঘরা বিধ্বস্ত মানুষ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের সুফল পাচ্ছেন না।

বন্যা বিধ্বস্ত এলাকা কালুয়ার চরের নাজমা, ছালমাসহ অনেকে জানান, একবার রিলিফের ১০ কেজি চাল পেয়েছেন। তা অল্প দিনেই শেষ হয়েছে। বর্তমানে এখানে কোন কাজকর্ম নেই তাই আমরা ছেলে-মেয়ে নিয়ে অতিকষ্টে আছি। ঘর নির্মাণের পয়সা না থাকায় তারা অনেকটা খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছি।

এ সময় তারা নিজেদের ঘুরে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সু-দৃষ্টি কামনা করে তাদের জন্য সরকারিভাবে ঘর নির্মাণের দাবি জানান।

ছিনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান হক বুলু জানান, এখানে অতিদরিদ্র ১৫৬টি পরিবারের ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ার তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত গৃহনির্মাণের জন্য কোন বরাদ্দ আসেনি। সরকারিভাবে ত্রাণ দেয়াও বন্ধ রয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মইনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, বন্যাকবলিত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পরিবার প্রতি এক বান্ডিল ঢেউটিন ও নগদ ৩ হাজার টাকা বরাদ্দ এসেছে। তা সময় সাপেক্ষে বিতরণ করা হবে।

Post A Comment: