সাভারের আশুলিয়া থেকে নিখোঁজের চার দিন পর একটি জঙ্গল থেকে সাবিনা আক্তার নামে এক নারী এনজিও কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঋণের অর্থ সংক্রান্ত বিরোধে তাকে খুন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় মোসলেম উদ্দিন নামে এনজিওটির এক গ্রাহককে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি।
The-body-of-the-missing-NGO-officer-is-in-the-jungle 

সাভারের আশুলিয়া থেকে নিখোঁজের চার দিন পর একটি জঙ্গল থেকে সাবিনা আক্তার নামে এক নারী এনজিও কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঋণের অর্থ সংক্রান্ত বিরোধে তাকে খুন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় মোসলেম উদ্দিন নামে এনজিওটির এক গ্রাহককে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি।


বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাংলাদেশ বেতারের আশুলিয়ার কবিরপুর কেন্দ্রের ভেতরে একটি জঙ্গলে পুঁতে রাখা অবস্থায় অর্ধগলিত মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত সাবিনা আক্তার আশা এনজিওর কবিরপুর শাখার সিনিয়র ঋণ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করতেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল আউয়াল জানান, গত ১৪ অক্টোবর কবিরপুর এলাকায় ঋণের টাকা সংগ্রহের কাজে বের হয়ে নিখোঁজ হন সাবিনা। ওই তার কাছে দেড় লাখের মতো টাকা ছিলো। ঘটনাটি জানিয়ে এনজিও কর্তৃপক্ষ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

বুধবার সকালে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আশা এনজিওর গ্রাহক মোসলেম উদ্দিনকে আটক করে পুলিশ। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী আশুলিয়ার কবিরপুর এলাকায় বাংলাদেশ বেতারের অভ্যন্তরে একটি জঙ্গলের মধ্যে পুঁতে রাখা অবস্থায় সাবিনার মরদেহের সন্ধান পান তারা।

রাতেই সেখান থেকে সাবিনার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠাচ্ছে পুলিশ।

ওসি আরও জানান, ঋণের টাকা পরিশোধ সংক্রান্ত ব্যাপারের জের ধরেই মোসলেম উদ্দিন এনজিও কর্মকর্তা সাবিনাকে অপহরণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে। পর মরদেহটি গুম করার জন্য জঙ্গলের মধ্যে পুঁতে রাখে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোসলেম স্বীকার করেছে। তবে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বৃহস্পতিবার রিমান্ড চেয়ে মোসলেমকে আদালতে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।

Post A Comment: