সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর তীরে শুক্রবার হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা ডালা-কুলা সাজিয়ে সূর্য দেবতার পূজা করেন। ভক্ত ও পূণ্যার্থীদের ভিড়ে সূর্য দেবতাকে সন্তুষ্ট করতে এ পূজা পালিত হয়। সূর্য পূজাকে স্থানীয়ভাবে ছট পূজা বলা হয়ে থাকে।
 

  সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর তীরে শুক্রবার হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা ডালা-কুলা সাজিয়ে সূর্য দেবতার পূজা করেন। ভক্ত ও পূণ্যার্থীদের ভিড়ে সূর্য দেবতাকে সন্তুষ্ট করতে এ পূজা পালিত হয়। সূর্য পূজাকে স্থানীয়ভাবে ছট পূজা বলা হয়ে থাকে।


প্রতি বছর কালী পূজার পর শুক্ল পক্ষের ষষ্টি তিথিতে নদীর তীরে সূর্য দেবতাকে সন্তুষ্ট, মনোবাসনা পূর্ণ, আপদ-বিপদ দূরীকরণ, বিভিন্ন মানত পূরণে হিন্দু ধর্মাবলম্বীর সিং, রাজভর, রবিদাস ও রজক সম্প্রদায়-সহ বিভিন্ন সম্প্রদায় এই সূর্য পূজা উদযাপন করে।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে পূজারীরা উপবাস থেকে ফুল, প্রসাদ, বাদ্য-বাজনাসহ বিভিন্ন পূজার সামগ্রী নিয়ে সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর তীরে উপস্থিত হয়ে সূর্য অস্তের পূর্ব মূহুর্তে ভক্ত ও পূণ্যার্থীরা নদীর পানিতে দাঁড়িয়ে ডালা-কুলায় সাজানো প্রসাদ নিয়ে পূজা করেন। পরে সূর্য অস্তের পর সকলেই বাড়িতে ফিরে যান।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সন্তোষ কুমার কানু, শুক্রবার ভোরে সূর্য স্নানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় সূর্য পূজা। প্রত্যেক বছরের তুলনায় এবারের পূজা বেশী উৎসব মুখর হয়েছে।

তিনি বলেন, শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিচ্ছিন্ন ভাবে এই পূজা করা হতো কিন্তু এ বছর তৃনমূল হিন্দু পরিষদের উদ্যোগে সকল এলাকার পুণ্যার্থীদের নিয়ে যমুনা নদীর তীরে এক সাথে এই পূজা আয়োজন করায় পূজা বেশী উৎসব মুখর হয়েছে।

এ সময় পূজায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের জাতীয় পরিষদ সদস্য হীরক গুণ, সদর থানা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ গৌর উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে পূজা দেখতে শত শত পুণ্যার্থীর সমাগম হয় যমুনা নদীর তীরে।

Post A Comment: