কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদীতে রোহিঙ্গাবোঝাই নৌকাডুবির ঘটনায় আরও দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে নৌকাডুবির ওই ঘটনায় মোট ১০ রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার করা হলো।
Rohingyas-sank-boats-the-number-of-deaths-increased-to-10 

কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদীতে রোহিঙ্গাবোঝাই নৌকাডুবির ঘটনায় আরও দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে নৌকাডুবির ওই ঘটনায় মোট ১০ রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার করা হলো।


গতরাতে শাহপরীর দ্বীপের ডাঙ্গারচরে মিয়ানমার থেকে আসা নৌকাটি ডুবে যায়। পরে স্থানীয় জেলে ও কোস্টগার্ড সদস্যরা উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে ১০ রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার করে। এখনো অনেকে নিখোঁজ আছেন বলে বেঁচে আসা রোহিঙ্গারা জানান।

স্থানীয়রা জানান, গতকাল রাতে মিয়ানমার থেকে ৬৫ জনের মতো রোহিঙ্গাকে নিয়ে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপে আসছিল নৌকাটি। পশ্চিমপাড়া সমুদ্র উপকূলে আসার পর নৌকাটি ডুবে যায়। এতে ২১ জনের মতো রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও নিখোঁজ থাকেন অনেকে। সকালে নাফ নদের মোহনার গোলাপচর পয়েন্ট থেকে চার শিশু ও চার নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আরও দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজদের উদ্ধার করতে পুলিশ ও কোস্টগার্ড সদস্যদের অভিযান অব্যাহত আছে।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাঈনুদ্দিন খান জানান, এ পর্যন্ত ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ছয়জন নারী ও চারজন শিশু। এছাড়া ২১ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

গত আগস্ট মাসের শেষ দিকে মিয়ানমারে জাতিগত সংঘাতের জের ধরে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর চলছে অমানবিক নির্যাতন। এতে বাধ্য হয়ে রোহিঙ্গারা নদী পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিচ্ছে। এখন পর্যন্ত পাঁচ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এই ঢল এখনো অব্যাহত আছে।

২৯ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত নাফ নদী এবং সাগরে রোহিঙ্গাবাহী ২৬টির মতো নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় দেড় শতাধিক রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

Post A Comment: