‘মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার যানজট নিরসনে ভূমিকা রাখবে। সময় বাঁচাবে। কর্মচাঞ্চল্য বাড়বে।’ বৃহস্পতিবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই ফ্লাইওভারটি উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। এদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফ্লাইওভারটি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারের ধারাবাহিকতা থাকলে উন্নয়নের গতি পায়। এসময় শেখ হাসিনা ফ্লাইওভার ও রাস্তাঘাট ব্যবহারে যত্নবান হতে এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার জন্য আহ্বান জানান।
 

‘মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার যানজট নিরসনে ভূমিকা রাখবে। সময় বাঁচাবে। কর্মচাঞ্চল্য বাড়বে।’ বৃহস্পতিবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই ফ্লাইওভারটি উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। এদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফ্লাইওভারটি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারের ধারাবাহিকতা থাকলে উন্নয়নের গতি পায়। এসময় শেখ হাসিনা ফ্লাইওভার ও রাস্তাঘাট ব্যবহারে যত্নবান হতে এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার জন্য আহ্বান জানান।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর্থিক ক্ষমতা থাকলে মানুষ গাড়ি কিনছে। ফলে যানজট বাড়ছে। মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার যানজট নিরসনে ভূমিকা রাখবে।

ফ্লাইওভার উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

আর পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র ওসমান গনি, সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


উদ্বোধনের পর যানবাহন চলাচলের জন্য ফ্লাইওভারটি খুলে দেয়া হয়।

প্রায় ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ তিন তলা বিশিষ্ট চার লেনের এই ফ্লাইওভারটি ভূমিকম্প সহনশীল। ৯ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই ফ্লাইওভার দেশে এখন পর্যন্ত যে কয়টি ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হয়েছে, তারমধ্যে এটি দৈর্ঘ্যে দ্বিতীয়।

প্রথম স্থানে আছে ১০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার (গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী)। মৌচাক-মালিবাগ  চার লেনের এ ফ্লাইওভারে ওঠানামার জন্য ১৫টি র‌্যাম্প রয়েছে। এটি এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে, যা রিখটার স্কেলে ১০ মাত্রার ভূমিকম্পও সহ্য করতে পারবে। এর প্রতিটি পিলার ১৫০ মিটার গভীর পর্যন্ত করা হয়েছে। এর বিভিন্ন জায়গায় ৮টি বড় মোড় ও তিনটি রেলক্রসিং রয়েছে।

এছাড়া তেজগাঁওয়ের সাতরাস্তা, এফডিসি, মগবাজার, হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল, বাংলামোটর, মালিবাগ, রাজারবাগ পুলিশ লাইন এবং শান্তিনগর মোড়ে ওঠানামা করার ব্যবস্থা রয়েছে। এটার প্রতিটি পিলার পাইলের গভীরতা প্রায় ৪০ মিটার গভীর।

শুরুতে এই প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭৭২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। পরে নকশায় পরিবর্তন আনা হয়। শেষ পর্যন্ত ব্যয় বাড়তে বাড়তে ১ হাজার ২১৮ কোটি ৮৯ লাখ টাকায় গিয়ে ঠেকে। এর মধ্যে সরকার অর্থায়ন করেছে ৪৪২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট(ওএফআইডি) দিয়েছে ৭৭৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা। মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার নির্মাণ প্রকল্প ২০১১ সালে একনেকে চূড়ান্ত হয়। ২০১৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রায় নয় কিলোমিটার লম্বা ফ্লাইওভারটির নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।

Post A Comment: