সাতক্ষীরার হিজলদি সীমান্ত থেকে আরও ১৮ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদেরকে স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলামের বাড়িতে রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১০ জন শিশু, পাঁচ নারী ও তিনজন পুরুষ রয়েছে।
Human-chain-in-Natore-to-return-Rohingya-to-their-own-country 

সাতক্ষীরার হিজলদি সীমান্ত থেকে আরও ১৮ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদেরকে স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলামের বাড়িতে রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১০ জন শিশু, পাঁচ নারী ও তিনজন পুরুষ রয়েছে।


উদ্ধার নারী-পুরুষরা হলেন— রুপিয়া খাতুন, রোকেয়া খাতুন, আবু তাহের, আবদুর রহিম, রেহানা খাতুন ও আলিমুদ্দিন। শিশুরা হল— শাহরুখ, আজিজুর, জিয়ারুল, জুবাইদ, সুমাইয়া, গুলশান আরা, এনায়েতুর, মাহবুব,সুফিয়া, জুবায়ের, রাশিদা ও সালমা খাতুন।

এনিয়ে সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে গত তিন সপ্তাহের ব্যবধানে ৫৭ রোহিঙ্গাকে আটক করা হল।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)র হিজলদি সীমান্ত চৌকির (বিওপি) নায়েক সুবেদার ওমর ফারুক জানান, রোহিঙ্গা পুশ ইনের খবর পেয়ে তিনি ইউপি সদস্য নজরুলের বাড়িতে যান। তিনি তাদের সাথে কথা বলে জানতে পারেন যে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাদেরকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিয়েছে।

তিনি জানান, ওইসব রোহিঙ্গারা তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারতে বসবাস করে আসছিলেন। তাদের বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

জানতে চাইলে কলারোয়ার চন্দনপুর ইউপি সদস্য মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বাড়ি থেকে ভারতীয় সীমান্তের দূরত্ব মাত্র ১০০ গজ। সকাল ৭টার দিকে হঠাৎ করেই রোহিঙ্গারা আমার বাড়িতে উঠে পড়েছে। মানবিক কারণে আমি তাদের আশ্রয় এবং খাদ্য সহায়তা দিয়েছি’।

তিনি জানান, রোহিঙ্গাদের ভারতের ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার স্বরুপনগর থানার গনরাজপুর বিএসএফ ক্যম্প সদস্যরা সীমান্ত পার করে দিয়েছে।

Post A Comment: