সিলেটের জকিগঞ্জের ছয়টি স্কুলের ১০ শিক্ষককে কারণ দর্শানো (শোকজ) নোটিশ দিয়েছেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। পরীক্ষা চলাকালে হলে ঘুমিয়ে পড়া, মোবাইল ফোনে গান বাজানো এবং পরিদর্শনকালে ক্লাসে কোনো শিক্ষককে না পাওয়ার অভিযোগে তাদের শোকজ করা হয়।শোকজপ্রাপ্তদের মধ্যে খলাছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা দীপ্তি বিশ্বাসও রয়েছেন। পরীক্ষার হলে তার ঘুমিয়ে থাকার একটি ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়।

    সিলেটের জকিগঞ্জের ছয়টি স্কুলের ১০ শিক্ষককে কারণ দর্শানো (শোকজ) নোটিশ দিয়েছেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। পরীক্ষা চলাকালে হলে ঘুমিয়ে পড়া, মোবাইল ফোনে গান বাজানো এবং পরিদর্শনকালে ক্লাসে কোনো শিক্ষককে না পাওয়ার অভিযোগে তাদের শোকজ করা হয়।শোকজপ্রাপ্তদের মধ্যে খলাছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা দীপ্তি বিশ্বাসও রয়েছেন। পরীক্ষার হলে তার ঘুমিয়ে থাকার একটি ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়।


জকিগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিজ মিয়া স্বাক্ষরিত কারণ দর্শানো নোটিশ মঙ্গলবার অভিযুক্ত শিক্ষকদের নিকট পাঠানো হয়েছে।

নোটিশপ্রাপ্ত অন্য শিক্ষকরা হলেন- নরসিংহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এএইচএম কামরুজ্জামান, তার স্ত্রী সহকারী শিক্ষক দিলরুবা সুলতানা, সহকারী শিক্ষক আছমা বেগম, বেউর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সুপ্রভা বিশ্বাস, গধাদর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রহিমা বেগম, সহকারী শিক্ষক তমা রাণী দে এবং লিয়াকতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক।

উল্লেখ্য, ১৮ অক্টোবর জকিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভাপতি ইকবাল আহমদ তাপাদার ১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে ছয়টি বিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করেন।

Post A Comment: