কক্সবাজারের টেকনাফে এক ব্যবসায়ীকে জিম্মি করে ১৭ লাখ টাকা নিয়ে ফেরার পথে সেনাবাহিনীর হাতে আটক জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাত সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (টেকনাফ) মোশাররফ হোসেন এ আদেশ দেন। এর আগে ঘটনার শিকার ব্যবসায়ী গফুর আলম গত রাতে টেকনাফ থানায় বাদি হয়ে ৭ ডিবি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
 Ghatail-arrests-terrorists-with-guns

কক্সবাজারের টেকনাফে এক ব্যবসায়ীকে জিম্মি করে ১৭ লাখ টাকা নিয়ে ফেরার পথে সেনাবাহিনীর হাতে আটক জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাত সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (টেকনাফ) মোশাররফ হোসেন এ আদেশ দেন। এর আগে ঘটনার শিকার ব্যবসায়ী গফুর আলম গত রাতে টেকনাফ থানায় বাদি হয়ে ৭ ডিবি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।


কক্সবাজারের কোর্ট পরিদর্শক দিলদার হোসেন আটক সাত ডিবি সদস্যকে আদালতে হাজির দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার রাতে টেকনাফ থানায় অভিযুক্ত সাত ডিবি সদস্যের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা (মামলা নং-৩৮/১৭) দায়ের করেন গফুর।

উল্লেখ্য, টেকনাফে ব্যবসায়ী গফুরকে জিম্মি করে ১৭ লাখ টাকা ছিনিয়ে ফেরার সময় সেনাবাহিনীর হাতে আটক হন ডিবির এই সাত সদস্য। টেকনাফের মেরিনড্রাইভ সড়কে তাদেরকে ধরা হয়।

সেনা বাহিনীর তল্লাশির সময় ব্যবসায়ীর টাকা লুটপাটকারী পুলিশের আরেক উপ-পরিদর্শক গাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে পালিয়ে যান। সেনা সদস্যরা গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মুক্তিপণের ১৭ লাখ টাকাসহ তাদেরকে আটক করেন।

টেকনাফে রোহিঙ্গাদের ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনায় স্থাপিত সেনাবাহিনীর ক্যাম্পের প্রধান মেজর নাজিম আহমদ  বলেন, ‘টেকনাফের মধ্যজালিয়া পাড়ার মৃত হোসেন আহমদের ছেলে আবদুল গফুরেরর স্বজনরা অভিযোগ করেন যে মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার শহর থেকে কিছু লোক গফুরকে ধরে নিয়ে টাকা দাবি করেছে। বুধবার ভোরে ১৭ লাখ টাকার বিনিময়ে গফুরকে একটি মাইক্রবাসে করে টেকনাফে নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।’

সাত ডিবি সদস্যকে আটকের বর্ণনা দিয়ে মেজর নাজিম আরো বলেন, ‘মাইক্রোবাসটি সকালে মেরিনড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারে চলে যাচ্ছে এমন তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে টেকনাফের মেরিন ড্রাইভের সেনা চেকপোস্টে মাইক্রোবাসটি থামানো হয়। সেনাবাহিনী  মাইক্রোবাসটি তল্লাশি করতে চাইলে যাত্রীরা নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দেয়।’

‘এসময় সেনা সদস্যরা গাড়ি তল্লাশি করতে চাইলে এক ব্যক্তি গাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে পালিয়ে যায়। পরে গাড়ি তল্লাশি করে হলুদ রংয়ের কাপড়ের প্যাকেট থেকে ১৭ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়,’ বলেন মেজর নাজিম।

আবদুল গফুরের ভাই টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান জানান, তার ভাইকে হত্যার হুমকি দিয়ে টাকার দাবি করার বিষয়টি সেনা বাহিনীকে জানানো হয়। টাকা প্রদান করে ভাইকে মুক্তি করার পর সেনা বাহিনীর সহায়তায় টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের আফরুজুল হক টুটুল  জানিয়েছেন, গুটি কয়েক পুলিশ সদস্যের অপকর্মের জন্য পুরো বাহিনীর নাম খারাপ হচ্ছে।

Post A Comment: