আসাম ফ্রন্টিয়ারের বিএসএফ মহাপরিদর্শক রাকেশ আগারওয়ালা জানান, নদী অঞ্চলীয় সীমানায় প্রহরা জোরদার করা হয়েছে। কারণ তারা সেসব অঞ্চল দিয়ে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা করছেন।
Four-years-money-museum 


আসাম ফ্রন্টিয়ারের বিএসএফ মহাপরিদর্শক রাকেশ আগারওয়ালা জানান, নদী অঞ্চলীয় সীমানায় প্রহরা জোরদার করা হয়েছে। কারণ তারা সেসব অঞ্চল দিয়ে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা করছেন। 


ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ফার্স্ট পোস্টের খবরে প্রকাশ, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের নিযুক্ত একটি শীর্ষ প্রতিনিধিদল আগামী ১০ অক্টোবর আসাম ও মেঘালয়ের আন্তর্জাতিক সীমানা পরিদর্শন করবেন।


তারা ১০ অক্টোবর দুবরি ও করিমগঞ্জ সেক্টর পরিদর্শন শেষে মেঘালয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন বলে আগারওয়ালা।

আসাম প্রদেশে বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে ২৬২ কিলোমিটার সীমানা রয়েছে। এর মধ্যে ৪৮ কিলোমিটার নদী অঞ্চলীয়। এই এলাকাগুলোতে তাই প্রহরা জোরদার করো হয়েছে বলে জানান বিএসএফের এই শীর্ষ কর্মকর্তা। ২৬২ কিলোমিটার ভারত-বাংলাদেশ সীমানা দিয়ে যাতে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ না ঘটতে পারে সেজন্য যেসব শক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে তার মধ্যে আছে বৈদ্যুতিক নজরদারি, হাতে ব্যবহৃত থার্মাল ইমেজার্স, দূরপাল্লার রিকনাইসান্স, যুদ্ধ মাঠের নজরদারিতে নিযুক্ত রাডার ব্যবহার। 

উল্লেখ্য, গত কয়েক বছরে মিয়ানমারের রাখাইন সমস্যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গা ভারতে পালিয়ে এসেছে। তবে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সেইসব রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বের করে দেওয়া হবে বলে ক্ষমতাসীন বিজেপির কয়েকজন শীর্ষ নেতা বক্তৃতা-বিবৃতি দিয়েছেন। আবার মুসলিম রোহিঙ্গাদের বের করে দেওয়া এবং হিন্দু রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ঘোষণাও এসেছে।
 


ভারতের বর্তমান পলিসিতে সুস্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে যে, বিজেপি সরকার আর কোনো রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিতে চায় না। তাই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নজরদারি বাড়াচ্ছে।

গত ২৫ আগস্ট নতুন করে শুরু হওয়া মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সহিংসতার শিকার হয়ে ৫ লাখ ১৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এসব শরণার্থীর কেউ কেউ ভারতে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা চালাতে পারে এমন আশঙ্কায় সীমান্তে প্রহরা জোরদার করেছে বিএসএফ।

Post A Comment: