সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে লেনদেন মন্দায় কমেছে দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক। দিনশেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৬.৪৬ পয়েন্ট কমেছে।
 

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে লেনদেন মন্দায় কমেছে দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক। দিনশেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৬.৪৬ পয়েন্ট কমেছে।


অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক সিএসইএক্স কমেছে ৮.৯৫ পয়েন্ট। এদিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৬ কোটি ৪২ লাখ টাকা। ডিএসই ও সিএসই’র বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডিএসইতে লেনদেন হওয়ায় ৩৩১টি কোম্পানি ও ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৫৫টির, দর কমেছে ১৪১টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের। এসময় ডিএসইতে ১৩ কোটি ৭১ লাখ ৩৩ হাজার ৭৪৩টি শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

দিনশেষে ডিএসইতে ৫২৮ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছিল। যদিও আগের কার্যদিবসে ৬১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল। অর্থাৎ বুধবার দিনশেষে ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ৮৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা।

টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমরা নেটওয়ার্ক। এসময় কোম্পানিটির ১৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। টার্নওভারে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্র্যাক ব্যাংকের ১৫ কোটি ১১ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ১৫ কোটি ৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মধ্যে দিয়ে টার্নওভারে তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে আইসিবি।

টার্নওভার তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলো হলো- উত্তরা ব্যাংক, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, ফরচুন সুজ, বিবিএস ক্যাবলস, কনফিডেন্স সিমেন্ট, স্কয়ার ফার্মা ও বিডি ফাইন্যান্স।

এদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্য সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতায় সিএসই-৫০, সিএএসপিআই সূচক কমেছে। এসময় সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৬ কোটি ৪২ লাখ টাকার শেয়ার।

সিএসইতে লেনদেন হওয়ায় ২৪৩টি কোম্পানি ও ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১১৫টির, দর কমেছে ৯৬টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ৩২টি প্রতিষ্ঠানের। এসময় টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে বিবিএস ক্যাবলস। এ কোম্পানিটির ১৩ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

Post A Comment: