হবিগঞ্জের বাহুবলে পুলিশের সাথে ডাকাত দলের ‘বন্ধুকযুদ্ধে’ মদন মিয়া ওরফে সুজন মিয়া নামে এক ডাকাত নিহত হয়েছে এবং দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে গুলিসহ একটি দেশীয় পাইপগান উদ্ধার করেছে পুলিশ।
Dacoit-killed-in-gunfight-in-Bahubal 

হবিগঞ্জের বাহুবলে পুলিশের সাথে ডাকাত দলের ‘বন্ধুকযুদ্ধে’ মদন মিয়া ওরফে সুজন মিয়া নামে এক ডাকাত নিহত হয়েছে এবং দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে গুলিসহ একটি দেশীয় পাইপগান উদ্ধার করেছে পুলিশ।


বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার দারাগাঁও চা বাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ডাকাত উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের রহমান মিয়ার ছেলে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, বাহুবল মডেল থানার এএসআই সোহেল শাহ ও কনস্টেবল ইমরান মোল্লা।

পুলিশ জানায়, হত্যা ডাকাতিসহ ৭টি মামলার আসামি ডাকাত সর্দার মদন মিয়াকে গোপন সংবাদে বুধবার বিকালে অভিযান চালিয়ে উপজেলার মিরপুর বাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেয়া তথ্যেরভিত্তিতে অস্ত্র উদ্ধার ও সহযোগীদের গ্রেপ্তার করতে মদন মিয়াকে সাথে নিয়ে বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে দারাগাঁও চা বাগান এলাকায় যায় পুলিশ। চা-বাগান এলাকার ২নং সেকশনের কাছে মাটির রাস্তায় পৌঁছলে চা গাছের নিচে উৎ পেতে থাকা ডাকাতদল পুলিশের উপর পাইপগানের গুলি ছুঁড়লে কোন কিছু বুঝে উঠতে না পেরে পুলিশও ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশের হাত থেকে ডাকাত মদন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে সহযোগীদের ছোঁড়া পাইপগানের গুলির আঘাতে গুরুতর আহত হয়। আহত অবস্থায় তাকে পুলিশ উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ১টি দেশীয় পাইপগান, ৩ রাউন্ড গুলি, ২টি গুলির খোসা, ৩টি রামদা, ১টি চাকু ও ১টি গামছা উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনার সময় এএসআই সোহেল শাহ ও কনস্টেবল ইমরান মোল্লা আহত হন। তাদের বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

হবিগঞ্জ জেলার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রাসেলুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আত্মরক্ষার্থে পুলিশ ১৭ রাউন্ড সর্টগানের গুলি ছুঁড়ে। নিহত মদন মিয়ার বিরুদ্ধ বিভিন্ন থানায় হত্যা, ডাকাতি ও ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে ৭টি মামলা রয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আটক ডাকাত মদন মিয়া তার সহযোগীদের এলোপাতাড়ি গুলিতে বুকে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মারা গেছে।

Post A Comment: