বরযাত্রী আসার আগেই বিয়ে বাড়িতে আসলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। এই কর্মকর্তাকে দেখে বিয়ে বাড়ির লোকজন হতভম্ব হয়ে কণেকে আড়াল করলেও পরে অপ্রাপ্ত কণেকে কর্মকর্তার সামনে আনতে বাধ্য হন তার স্বজনরা। বাল্যবিয়ের ক্ষতিকারক দিকগুলো বুঝিয়ে জেলার বাসাইলে মিতু আক্তার (১৩) নামে ওই স্কুলছাত্রীর বাল্যবিয়ে ঠেকালেন ইউএনও শামছুন নাহার স্বপ্না।
Before-reaching-the-marriage-party 

বরযাত্রী আসার আগেই বিয়ে বাড়িতে আসলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। এই কর্মকর্তাকে দেখে বিয়ে বাড়ির লোকজন হতভম্ব হয়ে কণেকে আড়াল করলেও পরে অপ্রাপ্ত কণেকে কর্মকর্তার সামনে আনতে বাধ্য হন তার স্বজনরা। বাল্যবিয়ের ক্ষতিকারক দিকগুলো বুঝিয়ে জেলার বাসাইলে মিতু আক্তার (১৩) নামে ওই স্কুলছাত্রীর বাল্যবিয়ে ঠেকালেন ইউএনও শামছুন নাহার স্বপ্না।


মিতু উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের বাথুলীসাদী পশ্চিমপাড়ার জুলহাসের মেয়ে ও লাইলী বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী।

শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) মিতুকে পাশের এলাকা নথখোলা গ্রামের প্রবাসী আকবর আলীর সাথে বিয়ে দেয়ার জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে তার পরিবার। গোপন সংবাদে দুপরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুন নাহার স্বপ্না বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়। এ কর্মকর্তার উপস্থিতি টের পেয়ে তার পরিবার মিতুকে  লুকিয়ে ফেলে। প্রায় ২০ মিনিট পর মিতুকে তার সামনে আনা হয়। পরে মেয়ের মা-বাবা তাকে প্রাপ্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে মুচলেকা দেন। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে ছিলেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান, নারী উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি রাশেদা সুলতানা রুবি ও উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন।

আইন অমান্য করে যদি মেয়েটির বিয়ের আয়োজন করে তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

Post A Comment: