আর মাত্র কয়েকদিন দিন পরেই ডাকের কাটি ও ঢুল বেজে উঠলেই ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে হিন্দু ধর্মালম্ববীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা শুরু হবে। পূজাকে ঘিরে হবিগঞ্জের আশপাশসহ প্রত্যন্ত অঞ্চল ও সকল ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। শারদীয় দুর্গাউৎসবকে সামনে রেখে জেলা জুড়ে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রতিমা তৈরীর কাজ। কারিগররা রংতুলি ও আছলের কাজের মধ্য দিয়ে প্রতিমাকে ফুটিয়ে তোলার আপ্রাণ প্রচেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছেন।
 

আর মাত্র কয়েকদিন দিন পরেই ডাকের কাটি ও ঢুল বেজে উঠলেই ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে হিন্দু ধর্মালম্ববীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা শুরু হবে। পূজাকে ঘিরে হবিগঞ্জের আশপাশসহ প্রত্যন্ত অঞ্চল ও সকল ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। শারদীয় দুর্গাউৎসবকে সামনে রেখে জেলা জুড়ে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রতিমা তৈরীর কাজ। কারিগররা রংতুলি ও আছলের কাজের মধ্য দিয়ে প্রতিমাকে ফুটিয়ে তোলার আপ্রাণ প্রচেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছেন।


হবিগঞ্জ জেলায় শারদীয় দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে এ বছর ৬২১টি পূজামণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দূর্গাপূজা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিটি মণ্ডপেই মূর্তিগুলোকে রংতুলি দিয়ে সাজানো হচ্ছে। স্থানীয় আয়োজকরা ও পূজা উৎযাপন নেতৃবৃন্দরা আশা প্রকাশ করেন, এবারে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও প্রশাসনের কঠোর নজরদারী থাকলে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শান্তিপূর্ণ ভাবে পূজা উদযাপন করা সম্ভব হবে।


এদিকে, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এই উৎসবকে শান্তিুপূর্ণ ভাবে আয়োজনের লক্ষে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন গুরুপ্তপূর্ণ পয়েন্টে সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে সাদা পোশাকের পুলিশের কঠোর নজরদারি। স্থাপন করা হয়েছে একটি কন্ট্রোল রুম। এছাড়াও সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

শিল্পী নিরঞ্জন পাল বলেন, হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন পাড়ায় তিনি ৫টি প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন। তার সঙ্গে কাজ করছেন দুইজন সহকারী শিল্পী। দুর্গাপূজার সময়েই বেশি আয় হয় তাদের বলেও জানান তিনি। তবে এখন দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছেন তারা। তিনি আরো জানান, ইতিমধ্যে প্রতিমা তৈরীর কাজ শেষ হয়েছে। এখন রংতুলি ও আছলের কাজ করা হচ্ছে। আশাকরি দুই একদিনের মধ্যেই কাজ শেষ হয়ে যাবে।

শিল্পী দুলাল পাল বলেন, প্রতিমা তৈরীর কাজ শেষে দিকে। এখন রং এর আঁচড়ে প্রতিটি প্রতিমাকে আকর্ষণীয় করে তোলার কাজ চলছে। আর দুই দিনের মধ্যে কাজ শেষ হয়ে যাবে।

হবিগঞ্জ জেলা পূজা উৎযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক অনুপ কুমার দেব জানিয়েছেন, সকলের প্রচেষ্টায় শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপন করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, প্রতিটি পূজামণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক কর্মীরা কাজ করবে। এবারও নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা থাকলে এবং প্রশাসন প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করলে শান্তিপূর্ণ ভাবে দূর্গাউৎসব অনুষ্ঠিত হবে।

হবিগঞ্জ বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শামছ আরেফীন জানান, এবারের দুর্গাপূজায় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সরবরাহ করতে আমারা কাজ করে যাচ্ছি। আশাকরি বিদ্যুৎ সরবরাহে কোন ঘাটতি থাকবে না।

হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার বিধান ত্রিপুরা জানান, হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান এই উৎসবের আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাড়ানো হয়েছে কঠোর নজরদারি। যে কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী



Post A Comment: