ফাইলেরিয়া রোগে আক্রান্ত দিনমজুর আবদার রহমান সুস্থ জীবনে ফিরতে চান। দুই পায়ের যন্ত্রণামুক্ত সুস্থ শরীরে কাজ করে খাওয়ার আকুতি তার চোখে মুখে। কিন্তু সুস্থ হওয়ার জন্য প্রয়োজন সঠিক চিকিৎসা। সেই চিকিৎসার ব্যয় মেটানোর সক্ষমতা তার নেই। মাত্র ১ বিঘা জমি ছিল। আট বছরে অসুস্থতায় সেই জমি বিক্রি করে দিয়েছেন। এখনও অন্যের জমিতে স্বামী-স্ত্রী বসবাস করছেন। দুই মেয়ে বিয়ে হয়ে গেছে। ছোট মেয়েটাও একই রোগে আক্রান্ত। নিজের চিকিৎসা আর খাবারের টাকা জোগাড় করার জন্য প্রতিদিন মানুষের দ্বারে দ্বারে হাত পেতে চলছেন তিনি। এখন আর মাঠে কাজ করতে পারেন না। দুই পায়ে অসহ্য যন্ত্রণায় কাতর।
 

ফাইলেরিয়া রোগে আক্রান্ত দিনমজুর আবদার রহমান সুস্থ জীবনে ফিরতে চান। দুই পায়ের যন্ত্রণামুক্ত সুস্থ শরীরে কাজ করে খাওয়ার আকুতি তার চোখে মুখে। কিন্তু সুস্থ হওয়ার জন্য প্রয়োজন সঠিক চিকিৎসা। সেই চিকিৎসার ব্যয় মেটানোর সক্ষমতা তার নেই। মাত্র ১ বিঘা জমি ছিল। আট বছরে অসুস্থতায় সেই জমি বিক্রি করে দিয়েছেন। এখনও অন্যের জমিতে স্বামী-স্ত্রী বসবাস করছেন। দুই মেয়ে বিয়ে হয়ে গেছে। ছোট মেয়েটাও একই রোগে আক্রান্ত। নিজের চিকিৎসা আর খাবারের টাকা জোগাড় করার জন্য প্রতিদিন মানুষের দ্বারে দ্বারে হাত পেতে চলছেন তিনি। এখন আর মাঠে কাজ করতে পারেন না। দুই পায়ে অসহ্য যন্ত্রণায় কাতর।


মঙ্গলবার দুপুরে যশোর কালেক্টরেট চত্ত্বরে এ প্রতিবেদকের কাছে সাহায্যে হাত বাড়ান। এরপর জানা যায় তার শারীরিক অসুস্থতা ও সীমাবদ্ধতার গল্প।

আবদার রহমান যশোর সদর উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামের মৃত সফের বিশ্বাসের ছেলে।

একটি চিকিৎসা সাহায্যের দরখাস্ত হাতে নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন আবদার রহমান। স্বাস্থ্য মন্ত্রী বরাবর লেখা দরখাস্তে যশোর সদর উপজেলার দেয়াড়া মডেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান সুপারিশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, মানবিক কারণে আর্থিক সাহায্যের জোর সুপারিশ করছি।’ দরখাস্তে দেয়াড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মনছুর আলীও সুপারিশ করেছেন।


আবদার রহমান বলছিলেন, এমপি সাহেবের (যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ) সুপারিশের জন্য তার বাসায় গিয়েছিলাম। না পেয়ে ডিসি অফিসে আসলাম।

তিনি বলেন, ৮ বছর আগে জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলাম। এরপর পায়ে একটি গুটি মত হয়েছিল। এরপর পা ফুলে যায়। বিভিন্ন জায়গায় ডাক্তার দেখিয়েছি। কিন্তু ভাল হয়নি। ফাইলেরিয়ায় আক্রান্ত শরীর নিয়ে বেঁচে আছি খুব কষ্টে। দুই পায়ে খুব যন্ত্রণা করে। কোনো কাজ করতে পারি না। আগে মাঠে চাষ-বাসের (দিনমজুর) কাজ করতাম। এখন তাও করতে পারি না। ১ বিঘে জমি ছিল। সেটাও বিক্রি করেছি চিকিৎসার জন্য। এখন আর কিছু নেই। পরের জমিতে বাস করি। দুই মেয়ে বিয়ে হয়ে গেছে। ছোট মেয়ে হাসিনা খাতুনও ফাইলেরিয়া রোগে আক্রান্ত। আমার মত নিঃস্ব পিতার পক্ষে দুইজনের চিকিৎসা করানো সম্ভব না। এজন্য মানুষের কাছে হাত পাতছি। চিকিৎসা আর বেঁচে থাকার জন্য। পরের কাছে অসুস্থ শরীর নিয়ে হাত পাততে খুব লজ্জা করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন আমার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক। সুস্থ হয়ে আমি কাজ করে খাবো।’

Post A Comment: