পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে একতা ক্লাব ও পাঠাগার আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান পণ্ড করে দিয়েছে পুলিশ। এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী।
Eid-reunion-pand-to-make-Sayedees-son 

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে একতা ক্লাব ও পাঠাগার আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান পণ্ড করে দিয়েছে পুলিশ। এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী।


মঙ্গলবার উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর এলাকায় অনুষ্ঠান শুরুর আগে দুপুর ১২টার দিকে ক্লাবের সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ সেখানে আসেন। এসময় পুলিশের অনুমতি নেওয়া হয়নি জানিয়ে উপস্থিত সকলকে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করতে বলা হয়।

ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন এবং ওসি (তদন্ত) আবদুস সালামসহ একদল পুলিশ অনুষ্ঠানস্থলে ঘণ্টাব্যাপী অবস্থান নিয়ে প্যান্ডেল ভাঙার পর ফিরে যান।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রামচন্দ্রপুর একতা ক্লাব ও পাঠাগারের সভাপতি সাবেক ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম জামায়াত সমর্থক। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ইন্দুরকানী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যার মাসুদ সাঈদী, বিশেষ অতিথি সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল লতিফ হাওলাদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক গাজীসহ আরো বেশ কয়েকজনের উপস্থিত থাকার কথা ছিল।

 


কিন্তু ক্লাব কর্তৃপক্ষ পুলিশকে বিষয়টি অবহিত না করায় অনুষ্ঠান শুরুর আগেই পুলিশ এসে প্যান্ডেল ভেঙে দেয়। এ অনুষ্ঠানে প্রায় পাঁচ শতাধিক লোককে আমন্ত্রণ করা হয় এবং তাদের দুপুরের খাবার প্রস্তুত ছিল।

রামচন্দ্রপুর একতা ক্লাব ও পাঠাগারের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিবছর আমরা ক্লাবের সদস্য ও এলাকাবাসীকে নিয়ে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান করি। এবছরও সেভাবে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু পুলিশের অনুমতি না নেওয়ায় অনুষ্ঠান শুরুর আগেই পুলিশ বাধা দিয়ে অনুষ্ঠান পণ্ড করে দেয়।’

জানতে চাইলে ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. নাসির উদ্দিন জানান, পুলিশের অনুমতি ছাড়া এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করায় উপরের নির্দেশে তাদেরকে অনুষ্ঠান করতে নিষেধ করা হয়েছে।

Post A Comment: