হত্যাকাণ্ডকে হার্ট এটাক বলে চিকিৎসক রিপোর্ট দেওয়ায় মৃত্যুর ১১ মাস পর কবর খুঁড়ে আল মামুন (৪০) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শফিকুর রহমানের উপস্থিতিতে পুলিশ শহরের নিশ্চিন্তপুর কবরস্থান থেকে ওই লাশ উত্তোলন করে। পরে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
After-11-monthsof-death-in-Thakurgaon-raise-the-body-from-the-grave


হত্যাকাণ্ডকে হার্ট এটাক বলে চিকিৎসক রিপোর্ট দেওয়ায় মৃত্যুর ১১ মাস পর কবর খুঁড়ে আল মামুন (৪০) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শফিকুর রহমানের উপস্থিতিতে পুলিশ শহরের নিশ্চিন্তপুর কবরস্থান থেকে ওই লাশ উত্তোলন করে। পরে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।


মামলা সূত্রে জানা যায়, নিশ্চিন্তপুর গ্রামের ইয়াসিন আলীর ছেলে আল মামুন ও সাদেকুল ইসলামের কয়েক শতক জমি প্রতিবেশি আব্দুল মজিদ ও তার ভাইয়েরা জোরপূর্বক দখল করে গত বছরের ২৪ অক্টোবর রাতে বিভিন্ন গাছের চারা রোপণ করে। সকালে ঘুম থেকে উঠে মামুন চারা লাগানোর প্রতিবাদ করলে তাকে বেধড়ক মারপিট করা হয়। উপস্থিত লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মামুনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় মৃতের ভাই সাদেকুল ইসলাম বাদী হয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে চলতি বছরের ২ মার্চ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আব্দুল জব্বার ময়নাতদন্ত রিপোর্ট প্রদান করেন যে, ভিকটিম আল মামুন হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যায়।

ওই রিপোর্টের প্রেক্ষিতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. শামীম হক  ৩১ মার্চ মামলার চুড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করে মামলার আসামিদের অব্যাহতি প্রদানের সুপারিশ প্রদান করেন। এতে মামলার বাদী  চিকিৎসকের রিপোর্ট চ্যালেঞ্জ করে আদালতে নারাজি আবেদন দেস। বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২১ আগস্ট  অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোল্লাহ সাইফুল আলম কবর খুঁড়ে লাশ উত্তোলনপূর্বক দিনাজপুর অথবা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুনরায় ময়নাতদন্তের নির্দেশ প্রদান করেন।

Post A Comment: