ঘটনাটি ঘটেছে ঢাকার শনির আখড়ায়, গত ২ আগস্ট ২০১৭ তারিখে। ধর্ষণের শিকার উক্ত ২৩ বছর বয়সী নারী একজন টিভি উপস্থাপিকা। এছাড়াও তিনি একজন মডেল ও অভিনেত্রী। তিনি দেশের একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত রয়েছেন। ধর্ষণের শিকার উক্ত নারীর যাকে অভিযুক্ত করেছেন তিনিও অভিনয় অঙ্গনেরই একজন।


ঘটনাটি ঘটেছে ঢাকার শনির আখড়ায়, গত ২ আগস্ট ২০১৭ তারিখে। ধর্ষণের শিকার উক্ত ২৩ বছর বয়সী নারী একজন টিভি উপস্থাপিকা। এছাড়াও তিনি একজন মডেল ও অভিনেত্রী। তিনি দেশের একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত রয়েছেন। ধর্ষণের শিকার উক্ত নারীর যাকে অভিযুক্ত করেছেন তিনিও অভিনয় অঙ্গনেরই একজন।

ধর্ষণের ভিডিও করে উক্ত ধর্ষক তাকে নিয়মিত ব্ল্যাকমেইল মেইল করে আসছিল। পরিশেষে গতকাল বুধবার ধর্ষণের শিকার উক্ত নারী কদমতলী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

কদমতলী থানার ওসি ওয়াজেদ আলী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন- আমরা ভিক্টিম উপস্থাপিকার অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে একটি মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত ওই অভিনেতা পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য থানার একটি টিম অভিযান শুরু করেছে।

ধর্ষক ও ধর্ষণের শিকার উক্ত নারী পূর্ব পরিচিত ছিলেন। ঘটনাটি যেদিন ঘটেছে, সেদিন উক্ত উপস্থাপিকা ধর্ষক অভিনেতার সঙ্গে নিজ বোনের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। বোনের বাড়িও শনির আখড়ায়। সেদিন তার বোন বাড়িতে ছিলেন না। সুযোগ পেয়ে সময়ের অসৎ ব্যবহার করেন উক্ত অভিনেতা। শুধু তাই-ই নয়, ধর্ষণ করে সেটি আবার ভিডিও চিত্রে ধারণ করে নিজের কাছে রেখে দিয়েছিল সে। ভিডিও করেছিল গোপনে।

পরে উক্ত উপস্থাপিকা থানায় অভিযোগ দায়ের করলে চাইলে, ধর্ষক তাকে বিয়ের আশ্বাস দেয়। কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন যে উক্ত ধর্ষক বিবাহিত। এ কদিন ভিডিওটিকে অবলম্বন করে উপস্থাপিকাকে ব্ল্যাকমেইল করে আসছিলেন ধর্ষক। এমনকি ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় ভীতিও দেখান হয়েছিল। পরবর্তীতে আর সহ্য করতে না পেরে পুলিশের কাছে সব ব্যক্ত করে দিয়েছেন উক্ত নারী।

Post A Comment: