কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্পে জমিদাতাদের জীবনযাত্র পাল্টে যাবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি জানান, জমিদাতারা তারা চাকরিসহ নানা সুযোগসুবিধা পাবে।
 

কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্পে জমিদাতাদের জীবনযাত্র পাল্টে যাবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি জানান, জমিদাতারা তারা চাকরিসহ নানা সুযোগসুবিধা পাবে।


 বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে মাতারবাড়িতে এক হাজার দুইশ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ চুক্তি সই অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী এসব বলেন। প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলারের প্রকল্পটি ২০২১ সালে জানুয়ারিতে উৎপাদনে বলে জানানো হয়।

মুহিত বলেন, “জাপানের সঙ্গে এটা আমাদের সব চেয়ে বড় ঋণ চুক্তি। এখানে একটি কোল (কয়লা) পোর্টও (বন্দর) থাকবে। দুই বছর আগে আমি মাতারবাড়ি গিয়েছিলাম। সেখানের লোকেরা প্রথমে বাধা দিয়েছিল।  তারা বলেছে, ‘আমরা এখানে লবণ চাষ করি, তাহলে আমরা কীভাবে জীবিকা নির্বাহ করব?’ আমরা বলেছি, সেখানে জনগণের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা আমরা করব।”

গত ২৭ জুলাই এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে চুক্তি হয় রাষ্ট্রায়াত্ব সংস্থা কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি (সিপিজিসি) লিমিটেড এবং দি কনসোরটিউম অফ সুমিতোমো করপোরেশন, তসিবা করপোরেশন এবং আইএইচআই করপোরেশন মধ্যে। ভূমি উন্নয়ন, মূল বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারিগরি কাজ, পূর্ত কাজ, প্রকল্প এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণ, স্থায়ী টাউনশিপ নির্মাণ, ফ্লু গ্যাস ডি-সালফারাইজেশন ইউনিট স্থাপন করা হবে। এ ছাড়াও কয়লা পরিবহন ব্যবস্থা, কয়লা খালাসের জন্য পৃথক জেটি নির্মাণ, কয়লা মজুতের জন্য সংরক্ষণাগার নির্মাণের কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক ই ইলাহি চৌধুরী বলেন, ‘জাপানের সঙ্গে এটা একক সবচেয়ে বড় প্রজেক্ট। মহেশখালি আইল্যান্ড সিঙ্গাপুরের চেয়ে ভালো। এ বিদ্যৎ কেন্দ্র নির্মাণ হলে সেখানের জীবন মানের উন্নতি হবে।’

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘সেখানের লোকেরা যারা আমাদের জমি দিয়েছে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার জন্য আমরা কাজ করছি। বিশেষ করে যারা লবণ চাষি, তাদের জন্য।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক সমন্নায়ক আবুল কালাম আজাদ,  বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত মাসাতো ওয়াতানাবে প্রমুখ এ সময় বক্তব্য রাখেন।

Post A Comment: