দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৭১ বছর কেটে গেলেও এর বিধ্বংসী নমুনা এখনও জাগিয়ে তোলে সেই ক্ষতকে। দীর্ঘ ৫ বছরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ব্যবহার হয়েছিল অসংখ্য অস্ত্র ও গোলা বারুদ। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এখনও মেলে সেই সময়কার অস্ত্র কিংবা অবিস্ফোরিত বোমা। জাপানের ফুকুশিমায় সম্প্রতি এমনই এক অবিস্ফোরিত বোমার সন্ধান মিলেছে। তাও আবার পাওয়া গেছে পরমাণু কেন্দ্রের খুব কাছেই!

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৭১ বছর কেটে গেলেও এর বিধ্বংসী নমুনা এখনও জাগিয়ে তোলে সেই ক্ষতকে। দীর্ঘ ৫ বছরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ব্যবহার হয়েছিল অসংখ্য অস্ত্র ও গোলা বারুদ। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এখনও মেলে সেই সময়কার অস্ত্র কিংবা অবিস্ফোরিত বোমা। জাপানের ফুকুশিমায় সম্প্রতি এমনই এক অবিস্ফোরিত বোমার সন্ধান মিলেছে। তাও আবার পাওয়া গেছে পরমাণু কেন্দ্রের খুব কাছেই!


ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, সম্ভবত ৮৯ সেন্টিমিটার অর্থাৎ ৩ ফুট দীর্ঘ ওই বোমাটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন বাহিনী বিমান থেকে ফেলেছিল। কেননা যুদ্ধ চলাকালে ওই এলাকায় জাপানের সেনাবাহিনীর ঘাঁটি ছিল। দীর্ঘদিন পর শ্রমিকেরা পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে গাড়ি পার্কিং নির্মাণের সময় বোমাটি বের করে ফেলে।

ফুকুশিমা পরমাণু কেন্দ্র কিংবা এর আশেপাশে অবশ্য অনেকদিন ধরেই মানুষের যাতায়াত নেই। ২০১১ সালে জাপানে ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামির কারণে লাখো মানুষ এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়। সেবার পরমাণু চুল্লিতে ফাটল ধরায় তেজস্ক্রিয়তার আশঙ্কায় এখনও ওই এলাকায় যাওয়ার কথা অনেকে চিন্তাও করেন না।



অবশ্য তেজস্ক্রিয়তার ভয়াবহতার স্বাদ চার দশক আগেই টের পায় মানুষ। ১৯৮৬ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান ইউক্রেন)’এর চেরনোবিলে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে যে দুর্ঘটনা ঘটে, তা ছিল স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ পারমাণবিক দুর্ঘটনা।

অবশ্য ভয়াবহ ভূমিকম্প আর সুনামির পর ফুকুশিমায় টেপকো (Tokyo Electric Power Co)’র পরিচালিত পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে যে দুর্যোগের আশঙ্কা দেখা দেয় তাতে আরও একটি চেরনোবিল বিপর্যয় দেখার আশঙ্কার সৃষ্টি করেছিল।  

এদিকে, অবিস্ফোরিত বোমা খুঁজে পাওয়ায় এরইমধ্যে সব ধরনের নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছে টেপকো। সেখানে সাময়িকভাবে প্রবেশাধিকারও নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। স্থানটিতে এখন বোমা বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন।

Post A Comment: