সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল গোলচত্বরে রডবোঝাই লরি চাপায় স্বামী ও দুই শিশু সন্তানের মৃত্যুর ৯ দিন পর মারা গেছেন আহত মা জলি খাতুন (৩২)। সোমবার রাত ১০টার দিকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
Wife-also-died-after-husband-and-child

    সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল গোলচত্বরে রডবোঝাই লরি চাপায় স্বামী ও দুই শিশু সন্তানের মৃত্যুর ৯ দিন পর মারা গেছেন আহত মা জলি খাতুন (৩২)। সোমবার রাত ১০টার দিকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।


নিহতের ভাসুর বেল্লাল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আহত জলি খাতুন ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালের আইসিইউতে ৯ দিন ধরে চিকিৎসকের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন। সোমবার রাতে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গত ২২ জুলাই সন্ধ্যায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় মহাসড়ক পার হওয়ার সময় একটি রডবোঝাই লরির চাপায় রওশন আলম সাদ্দাম (৩৫), দুই শিশুপুত্র জিয়াম (৭) ও তানিম (২) নিহত হন। গুরুতর আহত হন সাদ্দামের স্ত্রী জলি খাতুন।

গুরুতর আহত অবস্থায় জলিকে প্রথমে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে পরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরদিন ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালের আইসিইউতে ৯ থাকাবস্থায় সোমবার রাতে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত রওশন আলমের বড় ভাই ইউনুস আলম জানান, তার ভাই রওশন উল্লাপাড়া নাহিদ ফার্মেসিতে ২৫ বছর ধরে চাকরি করতেন। ২২ জুলাই সন্ধ্যায় তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে কেনাকাটার করতে হাটিকুমরুল মার্কেটে যান। বিকেলে জলি রাতের খাবার রান্না করে রেখে যান। সন্ধ্যায় মার্কেট করে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনায় পড়েন।

Post A Comment: