শিশুটিকে বারবার আঘাত করা হচ্ছে। কখনও খালি হাতে, কখনও লাঠি দিয়ে, কখন বা মাথায় তুলে শিশুটিকে সজোরে আছড়ে ফেলা হচ্ছে মাটিতে। এতিম এক শিশুকে এভাবেই নির্যাতনের এমন বিভৎস এক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে কাঁদিয়ে ফিরছে অনেককে।

    শিশুটিকে বারবার আঘাত করা হচ্ছে। কখনও খালি হাতে, কখনও লাঠি দিয়ে, কখন বা মাথায় তুলে শিশুটিকে সজোরে আছড়ে ফেলা হচ্ছে মাটিতে। এতিম এক শিশুকে এভাবেই নির্যাতনের এমন বিভৎস এক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে কাঁদিয়ে ফিরছে অনেককে।


প্রাথমিকভাবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সিলেটের কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুরে ইউনিয়নের এতিম সন্তান মো. আব্দুল আলী। গত দু’বছর যাবত হাজীপুর পীরের বাজার এলাকার ব্যবসায়ী মো. পারভেজ মিয়ার টলি চালিয়ে আব্দুল আলী জীবিকা নির্বাহ করতো। কিন্তু কয়েক দিন ধরে তাঁর প্রচণ্ড জ্বর থাকায় সে গাড়ি চালাতে না যাওয়ায় গত ২৫ জুলাই মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে তাঁর বাড়িতে পারভেজ ও ময়না এসে ওষুধ কিনে দেয়ার কথা বলে আব্দুল আলীকে বাড়ি থেকে ঢেকে নিয়ে যায়।

একপর্যায়ে পারভেজ আব্দুল আলীকে নিজের বাড়িতে নিয়ে চোখ বেঁধে পৈশাচিক কায়দায় মারধর করে। এসময় তার সঙ্গে গ্রামের আরো কয়েকজন যুবক মিলে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কয়েক দফায় আব্দুল আলীকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে। বেলা ২টার দিকে তারা তাকে ৮নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্যের কাছে রেখে চলে যায়। কিন্তু ইউপি সদস্য নোমান শিশুটির মৃত্যুর আশঙ্কায় তাকে অপর একজনকে দিয়ে তার বাড়ির পাশে রাস্তায় ফেলে দিয়ে আসেন।  কুলাউড়া উপজেলার ১০নং হাজীপুর ইউনিয়নের পীরের বাজারে এই ঘটনাটি ঘটে।

আব্দুল আলী (১৩) এখন মোলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে। এই ঘটনায় কুলাউড়া থানায় মামলা হলে পুলিশ কুদ্দুস ও রিপন নামে ২ জন গ্রেফতার করেছে। মূল আসামি পারভেজ পলাতক রয়েছে।

Post A Comment: