বগুড়ায় কিশোরী ছাত্রীকে শ্রমিক লীগ নেতার ধর্ষণের আলামত মিলেছে। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ গত সোমবার ওই কিশোরীর শারীরিক পরীক্ষা করে। ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক কে এম সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে এই পরীক্ষা করা হয়। পরে পরীক্ষার প্রতিবেদন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আবুল কালাম আজাদের কাছে জমা দেওয়া হয়।

 

   বগুড়ায় কিশোরী ছাত্রীকে শ্রমিক লীগ নেতার ধর্ষণের আলামত মিলেছে। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ গত সোমবার ওই কিশোরীর শারীরিক পরীক্ষা করে। ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক কে এম সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে এই পরীক্ষা করা হয়। পরে পরীক্ষার প্রতিবেদন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আবুল কালাম আজাদের কাছে জমা দেওয়া হয়।

প্রতিবেদন পাওয়া কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘চিকিৎসকদের দেওয়া প্রতিবেদনে ছাত্রীকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে। মেয়েটি প্রাপ্তবয়স্ক নয় বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘মা ও মেয়ের চুলকাটা এবং নির্যাতনের ঘটনার চিত্রটি ধারণ করা হয়েছিল ওয়ার্ড কাউন্সিলর রুমকির মোবাইল ফোনে। আলামত হিসেবে সেগুলো আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত ১৭ জুলাই বিকেলে ভালো কলেজে ভর্তি করে দেওয়ার কথা বলে এক ছাত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন বগুড়া শহর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক তুফান সরকার।

বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তিনি ও তার সহযোগীরা এবং স্ত্রীর বোন নারী কাউন্সিলর মার্জিয়া আক্তার রুমকিকে ধর্ষণের শিকার মেয়েটির পেছনে লেলিয়ে দেন।

ঘটনার ১০ দিন পর গত ২৮ জুলাই নির্যাতিতা কিশোরী ও তার মাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে চার ঘণ্টা ধরে তারা নির্যাতন চালায়। এরপর দু’জনেরই মাথা ন্যাড়া করে দেন।

এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে ওইদিন রাতেই শ্রমিক লীগ নেতা তুফান সরকার, তার স্ত্রী আশা সরকার, আশা সরকারের বোন বগুড়া পৌরসভার সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর মার্জিয়া আক্তার রুমকিসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে দুটি মামলা করেন। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত নয়জনসহ মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তুফান সরকারকে শ্রমিক লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আর তার বড় ভাই আব্দুল মতিন সরকারকেও শহর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

Post A Comment: