যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার তেলকুপ গ্রামের চিত্রা নদী থেকে মিনহাজ (৪) নামের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মিনহাজের বাবার অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধের কারণে স্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যরা মিনহাজকে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দিয়েছে। তবে ওই পরিবারের দাবি, নদীতে গোছল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে।
The-childs-body-in-Chitra-river-the-murder-charges 


যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার তেলকুপ গ্রামের চিত্রা নদী থেকে মিনহাজ (৪) নামের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মিনহাজের বাবার অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধের কারণে স্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যরা মিনহাজকে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দিয়েছে। তবে ওই পরিবারের দাবি, নদীতে গোছল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে।


নিহত মিনহাজ যশোর সদর উপজেলার জোড়াদহ গ্রামের ইমদাদুল হক পলাশের ছেলে। মঙ্গলবার রাতে তার লাশ উদ্ধারের পর বুধবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শিশুটির বাবা ইমদাদুল হক পলাশ আরো জানান, ছয় বছর আগে বাঘারপাড়ার তেলকুপ গ্রামের মালেক মীরের মেয়ে ছালমা খাতুনের সাথে তার বিয়ে হয়। তাদের সন্তান হওয়ার পর তার স্ত্রী পরকীয়া সম্পর্কে আসক্ত হয়ে পড়েন বলে অভিযোগ পলাশের। এ নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে তার স্ত্রী ছালমা ছেলে মিনহাজকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। বুধবার ছেলে মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি ওই গ্রামে গিয়ে পুলিশের সহযোগিতায় লাশ উদ্ধার করেন।

পলাশের অভিযোগ, তার ছেলে মিনহাজকে শ্বাসরোধে হত্যা করে নদীতে ফেলে দিয়েছে ছালমা ও তার পরিবারের সদস্যরা।

 বাঘারপাড়া থানার ওসি মুনজুরুল আলম জানান, তেলকুপ গ্রামের চিত্রা নদী থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। স্বামীর সাথে বিরোধ থাকায় শিশুটিকে নিয়ে তার মা বাবার বাড়িতে থাকতেন। ওই পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, নদীতে গোছল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে যেহেতু মিনহাজের বাবা হত্যার অভিযোগ করেছেন এজন্য ময়নাতদন্ত করতে লাশ যশোর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Post A Comment: